নতুন মৌসুমেও ক্ষুধার্ত বার্সেলোনা। প্রতিপক্ষকে ভাসাচ্ছে গোল বন্যায়। প্রাক মৌসুম প্রীতি ম্যচের পর লা লিগার উদ্বোধনী ম্যাচেও পুরনো রূপে তারা। প্রথম ম্যাচে তাদের শিকার মায়োর্কা।
শনিবার (১৬ আগস্ট) এস্তাদিও মায়োর্কা সন মইজে স্বাগতিক মায়োর্কাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। ২০০৯ সালের পর কাতালান ক্লাবটির সাথে কখনো পেরে উঠেনি মায়োর্কা।
বার্সার হয়ে রাফিনিয়া, ফেরান তরেস ও লামিন ইয়ামালের গোলে সহজ জয় পায় সফরকারীরা। এদিকে মায়োর্কার দু’জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখায় অনেকটা সময় ৯ জন নিয়ে খেলতে হয়েছে তাদের।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ডান দিকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ইয়ামালের চমৎকার ক্রসে সুযোগ পেয়ে যান রাফিনিয়া। ছুটে গিয়ে গতিময় হেডে অনায়াসে খুঁজে নেন জাল।
গত মৌসুমে ১৮ গোল করেছিলেন রাফিনিয়া, এবার দলের প্রথম গোলটি করলেন তিনি।
২২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ফেরান তরেস। ইয়ামালের গতিময় শট হেড করে ফেরানোর পর মাটিতে শুয়ে পড়েন মায়োর্কার অধিনায়ক আন্তনিও রাইয়ো, কিন্তু রেফারি খেলা বন্ধের সঙ্কেত দেননি।
স্বাগতিক খেলোয়াড়রা বল ক্লিয়ারের চেষ্টাও করেনি। ডি-বক্সের বাইরে বল পাওয়া তরেস সুযোগ কাজে লাগান। খেলোয়াড় পড়ে যাওয়ার পরও খেলা বন্ধ না করায় রেফারির সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেন মায়োর্কার কোচ।
একই কারণে রেফারির সাথে তর্কে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেন মায়োর্কা মিডফিল্ডার মানু মোরলানেস। ১০ মিনিট পরই ইয়ামালকে ফাউল করে দেখেন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড!
মায়োর্কা বেশিক্ষণ ১০ জনের দল হয়েও থাকতে পারেনি। মোরলানেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ৬ মিনিট পরই একই পথ ধরেন ভেদাত মুরিকি। বার্সা গোলকিপার গার্সিয়াকে বুটের আঘাত করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি।
মায়োর্কার ১০৯ বছরের ইতিহাসে লা লিগার ম্যাচে প্রথমার্ধে দু’টি লাল কার্ড দেখার দ্বিতীয় ঘটনা এটি। প্রথমবার ঘটেছিল ২৩ বছর আগে। সেবারও প্রতিপক্ষ ছিল বার্সেলোনা।
৯ জনের দল নিয়েও বেশ অনেকটা সময় লড়াই অব্যহত রাখে মায়োর্কা। তবে গোল করার চেয়ে রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল তারা। ফলে তৃতীয় গোলের দেখা পেতে বার্সাকে অপেক্ষা করতে হয় যোগ করা সময় পর্যন্ত।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে এসে গোলের দেখা পান এই মৌসুমে বার্সার ১০ নম্বর জার্সি পাওয়া ইয়ামাল। দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।