আম্পায়ারের সাথে অসদাচরণ করে শাস্তি পেলেন জাতীয় দলের চার ক্রিকেটার। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যাওয়ায় মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়েছেন তারা।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্ট জোন ও সেন্ট্রাল জোন। যেখানে ইস্ট জোনের দেয়া ২৩৮ রানের লক্ষ্য ২৭ বল বাকি থাকতেই ছুঁয়ে ফেলে সেন্ট্রাল জোন।
তবে এই ম্যাচের দুই ইনিংসেই আম্পায়ারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইস্ট জোনের অধিনায়ক ইয়াসির আলী। এছাড়া নাসুম আহমেদ, পারভেজ ইমনও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে মেজাজ হারান।
অসাদাচারণ করেছেন সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। ফলে তাদের নামে ম্যাচ রেফারির কাছে রিপোর্ট করেন আম্পায়ার। যার ফলে তাদের প্রত্যেকেই শাস্তির মুখে পড়েছেন।
তবে সবচেয়ে বেশি শাস্তি পাচ্ছেন ইস্টের অধিনায়ক ইয়াসির আলী। তার ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করা হয়েছে ও তার নামের পাশে যোগ হয়েছে দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
নাসুমের ৩০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা ও দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়েছে। পারভেজ ইমনের ক্ষেত্রেও একই শাস্তি, ৩০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানার পাশাপাশি দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন তিনি।
আর সেন্ট্রাল জোনের মাহিদুল ইসলামের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করা হয়েছে ও দেয়া হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
ঘটনার শুরু হয় প্রথম ইনিংসের ৩৪তম ওভারে, ইয়াসির আউট হলে। সাইফ হাসানের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানায় রকিবুল হাসানের হাতে ধরা পড়েন ৩৭ রান করা ইয়াসির।
পরে ভিডিও রিপ্লে ও ফুটেজে দেখা যায়, ক্যাচ নেয়ার সময় রকিবুলের পা সীমানা দড়ি স্পর্শ করেছিল। ফলে সেটি ছক্কা হলেও মাঠের আম্পায়াররা আউট দিয়ে দেন। যা নিয়ে তর্ক শুরু করেন ইয়াসির।
আর দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৩তম ওভারে মুশফিক হাসানের দ্বিতীয় বলে আরিফুলের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদন করে ইস্ট জোন। তবে আম্পায়ার সাড়া দেননি।
ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ইয়াসির। আম্পায়ারের সাথা তর্ক জুড়ে দেন তিনি। সাথে নাসুম ও ইমনও যোগ দেন। ইমন তো একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে বল মাটিতে আছড়ে মারেন।