যুদ্ধের সম্ভাবনা আগেই ছিল। নানা বিক্ষিপ্ত ঘটনা সপ্তাহ জুড়েই ঘটছিল। এবার পাকিস্তানে হামলা চালিয়ে বসে ভারত। পাল্টা জবাব দিচ্ছে পাকিস্তান। এদিকে পাকিস্তানে চলছে পিএসএল, ভারতেও চলছে আইপিএল মহাযজ্ঞ।
আইপিএলে বাংলাদেশের কেউ না থাকলেও পাকিস্তান সুপার লিগে খেলছেন রিশাদ হোসেন ও নাহিদ রানা। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে রিশাদ আর নাহিদ খেলছেন পেশাওয়ার জালমির হয়ে।
এমন সংঘাতময় সময় তাদের পাকিস্তানে অবস্থান করা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে সমর্থকদের মনে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিত তারা।
তাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে বিসিবি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাথে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে বিসিবি।
বলা হয়, ‘গত ২৪ ঘণ্টার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তান সুপার লিগে খেলতে থাকা বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ও ভালো থাকাই এই মুহূর্তে বিসিবির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
‘বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার রিশাদ ও রানার সাথে যোগাযোগ হয়েছে বিসিবির। সভাপতি ফারুক আহমেদ নিজে ঘটনার বিস্তারিত খোঁজ রাখছেন এবং তাদের নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তি নিশ্চিত করতে পিএসএলের প্রধান নির্বাহী সালমান নাসিরের সরাসরি কথা বলেছেন।’
পাকিস্তান সুপার লিগের ফাইনাল আগামী ১৮ মে। এরপরই সেখানে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাবে বাংলাদেশ দল। ২১ মে পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখার কথা শান্ত-লিটনদের। তবে এই যুদ্ধাবস্থা কিছুটা হলেও সিরিজকে শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। বুধবার প্রথম প্রহরে পাকিস্তান ও আজাদ কাশ্মীরের নয়টি স্থানে হামলা চালানোর কথা বলেছে ভারত। হামলার জবাবে ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তান।
ইসলামাবাদ বলেছে, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের কমপক্ষে ২৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হয়েছেন। ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের হামলায় ১০ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৪৮ জন।