গল টেস্টে ১৫১ ওভারে ৯ উইকেটে ৪৮৪ রানে রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে পারে মাত্র ২.৪ ওভার। গুটিয়ে যায় ১৫৩.৪ ওভারে ৪৯৫ রানে।

এরপর ইনিংস শুরু করতে নেমে সাবলীল সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে ২৭ ওভার ব্যাটিং করে ১ উইকেটে ১০০ রান তোলে স্কোরবোর্ডে।

ব্যাট করতে নেমে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন লাহির‍ু উদানা। খেলতে শুরু করেন ওয়ানডে মেজাজে। হতে পারতেন ভয়ের কারণ। তবে তার ইনিংসটা বড় হতে দেননি তাইজুল ইসলাম। উদযাপনের উপলক্ষ পায় বাংলাদেশ।

লাহির‍ু উদানাকে আউট করে উদযাপনের উপলক্ষ এনে দেন তাইজুল ইসলাম

তবে এরপর আর উইকেট হারায়নি। নিশাঙ্কা ৮৩ বলে ৪৬ ও চান্ডিমাল ৪৭ বলে ২২ রানে অপরাজিত আছেন। এখনো ৩৯৫ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রের প্রথম ম্যাচে মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারালেও গল টেস্টের প্রথমদিনটা পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছিলেন বাংলাদেশ।

আসল কাজটা করে নাজমুল শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। লঙ্কানদের আর কোনো সুযোগ না দিয় ২৯২ রানে নিয়ে দিন শেষ করেন তারা। গড়েন ২৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। সেঞ্চুরি তুলে নেন দু’জনেই।

নাজমুল শান্ত ১৩৬ ও মুশফিক ১০৫ রান অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় দিনে তাদের লক্ষ্য ছিল দ্বি-শতকের। তবে আশা পূরণ হয়নি। ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি থেকে বেশ দূরে থাকতেই থামেন শান্ত।

২৭৯ বলে ১৪৮ করে দিনের শুরুতেই ফেরেন শান্ত। অন্যদিকে দারুণ ব্যাট করে ক্যারিয়ারের সপ্তম দেড় শতাধিক রানের কীর্তি গড়লেও চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্ন ভেঙেছে মুশফিকের। ৩৫০ বলে ১৬৩ রান করেন তিনি।

তারা যখন ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্নভঙ্গে ব্যথাতুর, সেখানে লিটন ফেরেন সেঞ্চুরি হাতছাড়া হবার আক্ষেপ নিয়ে। ১২৩ বলে ৯০ রানে থামে তার ইনিংস। তবুও ইনিংসটা মূল্যবান, কেননা ২৫ ইনিংস পর ফিফটি পেলেন লিটন!

খানিকটা পরেই মিলান রত্নায়েকের শিকার হন জাকের আলী (৮) ও নাঈম হাসান (১১)। দ্রুত ফেরেন তাইজুল ইসলামও (৬)। তাতে মাত্র ২৬ রানের মাঝেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা।

তাতে মুহূর্তেই ৪ উইকেটে ৪৫৮ থেকে বাংলাদেশ দল পরিণত হয় ৯ উইকেটে ৪৮৪ রানে।