ব্যাটে-বলে সাকিব আল হাসানের অভাব দূর করতে চেষ্টার কমতি রাখছেন না মেহেদী মিরাজ। যদিও সাকিব হয়ে উঠার অনেকটা পথ বাকি তার, তবে আবারো সুযোগ পেয়েছেন সাকিবের পাশে বসার। ‘মাস সেরা’ হওয়ার দৌঁড়ে আছেন তিনি।

২০২৩ সালের মার্চে সর্বশেষ বাংলাদেশী হিসেবে আইসিসির মাসসেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান, দুই বছরের বেশি সময় পর আবারো এই পুরস্কার আসতে পারে দেশে। সেই উপলক্ষ তৈরি করেছেন মেহেদী মিরাজ।

মেহেদী মিরাজ আইসিসির এপ্রিলের সেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মনোনীত হয়েছেন। তবে পুরস্কারটা জিততে মিরাজকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কর‍তে হবে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউজিল্যান্ডের বেন সিয়ার্সের সাথে।

গতকাল সোমবার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এপ্রিল মাসের সেরা খেলোয়াড় খুঁজতে মনোনয়ন দেয় আইসিসি। যেখানে আইসিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে দর্শকেরা ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন কর‍তে পারবে সেরা খেলোয়াড়কে।

আগামী সোমবার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে আইসিসি। ২০২১ সাল থেকে এভাবেই মাসসেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কৃত করে আসছে আইসিসি।

নারী-পুরুষ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার চারবার আইসিসির মাসসেরা হয়েছেন। ২০২১ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন মুশফিকুর রহিম।

এরপর সাকিব আল হাসান জিতেছেন দুইবার। ২০২১ সালের জুলাইয়ে ও ২০২৩ সালের মার্চে। এরপর পুরুষ ক্রিকেটে আর এই পুরস্কার আসেনি। আর ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রথম নারী হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন নাহিদা আক্তার।

এবার মিরাজের সামনে আছে সেই সুযোগ। এপ্রিলে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১–১ এ ড্র করেছে বাংলাদেশ। যেখানে শেষ ম্যাচের সেরা ও সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন মিরাজ।

২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার একই দিনে সেঞ্চুরি করেন ও ৫ উইকেট নেন। দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৩৮.৬৬ গড়ে করেন ১১৬ রান, ১১.৮৬ গড়ে উইকেট শিকার করেন ১৫টি। যা তাকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রেখেছে।

সেই সিরিজেই বল হাতে ঝলক দেখান ব্লেসিং মুজারাবানি। এই পেসার দুই টেস্ট মিলিয়ে নেন ১০ উইকেট। প্রথম ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ও হোন তিনি।

আর বেন সিয়ার্স গত মাসে আলো ছড়িয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে। প্রথম ওয়ানডে না খেললেও শেষ দুই ম্যাচ খেলেই নেন ১০ উইকেট।

আপনার ভোট দিন:

https://www.icc-cricket.com/awards/player-of-the-month/mens-player-of-the-month