সন্তানের চিকিৎসার জন্য মা-বাবার আকুতি
Printed Edition
লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা
চার বছরের ছোট্ট শিশু আল-আমিন নাভীর নিচে গুরুতর ক্ষত নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জন্মের পর থেকেই এ জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছে সে। তার স্বাভাবিক প্রস্রাবের পথ না থাকায় জন্মের পর চিকিৎসকরা নাভীর মাধ্যমে প্রস্রাবের রাস্তা করে দেন। তবুও কমেনি কষ্ট। একদিকে সন্তানের কষ্ট অন্যদিকে দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আল-আমিনের বাবা আজাদ। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কর্তারহাট বাজার এলাকার একটি ছোট ভাড়া বাসায় থাকছেন তিনি।
তিনি বলেন, এক সময় চট্টগ্রামে রিকশা চালিয়ে ও দিনমজুরের কাজ করে কোনো মতে সংসার চলতো। চার কন্যার পর একমাত্র পুত্র সন্তানকে ঘিরে ছিল হাজারো স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ দুঃসহ সংগ্রামে রূপ নিয়েছে। ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকার শিশু হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ছুটেছি। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে নিজের বসতভিটাও বিক্রি করে দিয়েছি। এখন পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় তিন লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব। তবে দরকার প্রায় দেড় লাখ টাকা। যা তার সম্বলহীন পিতার পক্ষে জোগার করা সম্ভব নয়। এ জন্য বাবা হয়ে সন্তানের জীবন বাঁচাতে সরকারি-বেসরকারি ও দেশের বিত্তবান মানুষের আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন। আল আমিনের চিকিৎসা সহযোগিতায় সহায়তা পাঠাতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ০১৮৯২ ২৪৪ ১৩১ (বিকাশ) নম্বরে।
উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মাসুদ বলেন, দেড় লাখ টাকা অনুদানের কোনো সুযোগ নেই। তবে সরকারি হাসপাতালে অপারেশন করলে ওই হাসপাতালের সমাজসেবা রোগী কল্যাণ তহবিল থেকে সহায়তা পেতে পারে। এ ছাড়া তিনি যোগাযোগ করলে ভাতার আওয়ায় নিয়ে আসা হবে।