শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ঢাবিতে ‘মোনাজাত ই ইনসাফ’ রোজা নামাজ ও দোয়া মাহফিল

Printed Edition

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মোনাজাত ই ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও স্মরণানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ জানুয়ারি রোজা রাখেন অংশগ্রহণকারী শিার্থীরা। বাদ জোহর সম্মিলিত কুরআন খতম এবং বিকেল ৩টায় নতুন বছরকে সামনে রেখে সালাতুল হাজত আদায় করা হয়।

এ দিন বাদ আসর আসর শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর তার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনাও করা হয়। দোয়া মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সবুজ চত্বরে। পরে মাগরিবের আগে রোজাদার শিার্থীরা সম্মিলিত ইফতারে অংশ নেন।

দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক ফাতিমা তাসনিম জুমা। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদির সংগ্রাম ছিল বাংলাদেশের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে আধিপত্যবাদবিরোধী সাংস্কৃতিক লড়াই পৌঁছে দেয়া। তিনি কখনো কাউকে ইনকিলাব মঞ্চে যোগ দেয়ার আহ্বান জানাননি। তার বিশ্বাস ছিল ইনকিলাব মঞ্চের মতো শতাধিক সংগঠন এবং শত শত মানুষ দরকার, যারা এ সাংস্কৃতিক ও আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামকে বুঝে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, জীবদ্দশায় হয়তো শহীদ ওসমান হাদি তার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে দেখেননি। তবে তার বিশ্বাস ছিল একদিন এ সাংস্কৃতিক সংগ্রাম সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। আজ দেশের লাখ লাখ মানুষের মধ্যে সেই চেতনার বিস্তার ঘটেছে, যা তার স্বপ্নেরই বাস্তব রূপ।

তিনি আরো বলেন, শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা কেউ কাউকে ইনকিলাব মঞ্চে আসার আহ্বান জানাবেন না। তবে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে দেশের ওপর যেকোনো ধরনের আধিপত্যবাদকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।