চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অনির্দিষ্টকাল বন্ধ
Printed Edition
এফ এ আলমগীর চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার একমাত্র এবং খুলনা বিভাগের প্রথম বেসরকারি ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের বৈধতা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পরে বিরোধের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়টি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে নোটিশ টানিয়ে এ ঘোষণা দেয় কর্তৃপ।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দারের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে এতদিন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতরের (জয়েন্ট স্টক) নথির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠাকালীন ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রেজারার আলীম উদ্দিন লস্কর ও আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন প বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের দাবি জানায়।
এর অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার ও বুধবার তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে রেজিস্ট্রারের কসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে তালা খুলে দেয়া হলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আলীম লস্করের পরে দাবি, ২০১৪ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইনগত ভিত্তি ছাড়াই নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়। পরবর্তীতে জয়েন্ট স্টকের অনুমোদনের মাধ্যমে পুনর্গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডে আলীম উদ্দিন লস্করকে চেয়ারম্যান, আব্দুর রাজ্জাককে সেক্রেটারি এবং তানভীর হুদাকে ট্রেজারার মনোনীত করা হয়েছে। তাই বর্তমান বোর্ডের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরে বাধা দেয়ার সুযোগ নেই বলে তারা দাবি করেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, নীতিমালা উপো করে নিয়োগ এবং অননুমোদিতভাবে শিার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অপর পরে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্তর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
উদ্ভূত পরিস্থিতির সুষ্ঠু তদন্ত, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শিার্থীদের স্বার্থ রায় দ্রুত কার্যকর পদপে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।