সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশী নিহত
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
সৌদি আরবে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন।
ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহের ভালুকার প্রবাসী ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ তোতা মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন। সোমবার সৌদি আরব সময় বিকেল ৩টার দিকে আল-কাসিম থেকে হাইল শহরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান।
নিহত তোতা মিয়া উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ঝালপাজা গ্রামের মৃত হোসেন আলী দপ্তরীর ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তোতা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করতেন এবং সেখানে ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর বাজারে অবস্থিত আল-মদিনা শপিং কমপ্লেক্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
নিহতের ভাতিজা আল ফাহাদ জানান, ব্যবসায়িক কাজে তার চাচা সৌদির আল-কাসিম থেকে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরে হাইল শহরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার লাশ সৌদি আরবের হাইল শহরের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে লাশ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।
নোয়াখালী অফিস জানায়, সৌদি আরবের নাজরান শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় নুর করিম ফরহাদ (৪৫) নামে নোয়াখালীর এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুই প্রবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরবাটা গ্রামের চান্দু সওদাগর বাড়ির চান মিয়ার ছেলে নিহত ফরহাদ। প্রায় তিন বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে যান ফরহাদ। সম্প্রতি তিনি নুর হোসেন নামে এক যুবককে সেখানে নিয়ে যান। তাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে যাওয়ার পথে নাজরান এলাকায় একটি লরির সাথে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এতে ফরহাদসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফরহাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
পূর্ব চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বাসার মঞ্জু জানান, আহত জুলেয়ল ও হোসেন বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।