ঝিনাইদহ-৪ আসনে প্রার্থীদের আয়ের হিসাব
Printed Edition
রুহুল আমিন সৌরভ কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের একাংশ) সংসদীয় আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। দাখিলকৃত হলফনামা অনুযায়ী প্রার্থীদের বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসেব প্রকাশ পেয়েছে। এতে দেখা গেছে, বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের বাৎসরিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবু তালিবের আয় সাত লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের আয় চার লাখ ৬১ হাজার টাকা।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান তার হলফনামায় উল্লেখ করেন, ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় চার লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নিজের ৩০ ভরি ও স্ত্রীর ১০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যা উপহার হিসেবে পাওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রাশেদ খানের হাতে নগদ রয়েছে ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং তার স্ত্রীর রয়েছে ৩০ হাজার টাকা। বাড়ির আসবাবপত্রসহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৪১২ টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদ ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার নামে পাঁচটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে তিনটি চলমান ও দু’টি খারিজ হয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। তবে তার কোনো কৃষিজমি বা জমাজমির তথ্য দেয়া হয়নি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব তার হলফনামায় জানিয়েছেন, কৃষি, ব্যবসা ও চাকরি থেকে তার বাৎসরিক আয় সাত লাখ ৩৫ হাজার ৩৮২ টাকা। তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ২৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪০ টাকা এবং স্ত্রীর রয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তিনি উপহার হিসেবে পাঁচ ভরি স্বর্ণ পেয়েছেন। কৃষিজমি, আসবাবপত্র ও মোটরযানসহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদ ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় চার লাখ ৬১ হাজার ৫১৪ টাকা। বর্তমানে তার নগদ অর্থ রয়েছে ২৯ লাখ ১৫ হাজার ২০৫ টাকা। তার স্বর্ণ ও গয়নার পরিমাণ ২২ ভরি এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ৪৭ দশমিক ১৯ শতক। আসবাবপত্র ও কৃষিজমিসহ তার মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ৫৫ লাখ টাকা।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থী আবু তালিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের কৃষিজমি ও কৃষি থেকে আয়ের তথ্য থাকলেও বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের ক্ষেত্রে কোনো জমাজমির তথ্য উল্লেখ নেই।