ঢাবিতে আবাসনে অনিয়ম
সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি ডাকসু জিএস ফরহাদের
Printed Edition
ঢাবি প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসন নীতি উপেক্ষা করে ছাত্রদল ও যুবদলের ৩৬ জন নেতাকে হলে সিট দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। গতকাল সোমবার ভিসির সাথে বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
এস এম ফরহাদ বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিটের জন্য হাহাকার করলেও প্রশাসন নিয়ম ভেঙে বিশেষ বিবেচনায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের আবাসন সুবিধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘প্রথমে তাদের নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হলেও পরে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ‘বিশেষ বিবেচনার’ দোহাই দেয়া হচ্ছে। অথচ ক্লাস শুরু হওয়া সত্ত্বেও নবীন শিক্ষার্থীরা থাকার জায়গা না পেয়ে অনিশ্চয়তায় কাঁদছেন।’
আবাসন সঙ্কট নিরসনে ফরহাদ স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, সেশন-বাইন্ডিং ব্যবস্থা কার্যকর এবং সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি জানান। যেসব শিক্ষার্থী সিট পাবেন না, তাদের জন্য ‘আবাসন ভাতা’ চালুর প্রস্তাবও দেন তিনি।
বৈঠকের বিষয়ে ফরহাদ জানান, উপাচার্য আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে হলভিত্তিক শূন্য আসনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া সিট বণ্টনের তথ্য কারণসহ ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং ডিজিটাল উপস্থিতি ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। বর্তমানে অনেক হলে আসন খালি থাকলেও বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে দ্রুত সব হলে সিট বরাদ্দের সার্কুলার দেয়ার দাবি জানানো হয়।