ইসরাইলের যুদ্ধবিরতির শর্ত হামাসের প্রত্যাখ্যান

নয়া দিগন্ত ডেস্ক
Printed Edition
1st-2
ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো প্রতিযোগিতায় এবারের বর্ষ সেরা ছবি হিসেবে মনোনিত হয়েছে মাহমুদ আজজুর (৯) এর এই ছবিটি। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে গাজা সিটিতে ইসরাইলি হামলায় হাতের বিনিময়ে জিবনে রক্ষা পান। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় কাতারের দোহায় আশ্রয় এবং চিকিৎসা সহায়তা পেয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন : ইন্টারনেট
  • গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ৪৫
  • অবিলম্বে ‘গাজাযুদ্ধ’ বন্ধের দাবিতে ইসরাইলিদের গণস্বাক্ষর
  • গাজায় আটকা পড়েছে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ
  • নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হবেন : মোসাদ

গাজায় ইসরাইলের দেয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস। তারা বলেছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে আংশিক চুক্তি আমরা মানব না। সব ইসরাইলি বন্দীর বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তির শর্তে আলোচনা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে হামাস। গতকাল শুক্রবার বিবিসির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়্যা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে আংশিক চুক্তি আমরা মানব না। ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ১০ ইসরাইলি বন্দীকে মুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে ইসরাইল। তবে হামাস বলেছে, সব ইসরাইলি বন্দীর বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তির শর্তে আলোচনা করতে প্রস্তুত তারা।

টেলিভিশনে সম্প্র্রচারিত এক বার্তায় হামাসের শীর্ষ কর্মকর্তা খলিল আল-হায়্যা বলেছেন, এখন থেকে তারা আর কোনো অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে সম্মত হবে না। হামাস বরং এখনই সামগ্রিক আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, গাজার পুনর্গঠন এবং ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের সব বন্দিবিনিময়।

আল-হায়্যা বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের অনাহারে রেখে ধ্বংসলীলা চালানোর মাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এসব আংশিক চুক্তি দিয়ে ইসরাইলি সরকার তাদের আসল উদ্দেশ্য আড়ালে রাখে। কিন্তু স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজের বন্দীদেরও কোরবানি দিতেও পিছপা হবে না তারা। আমরা তাদের এই খেলার অংশ হবো না।

প্রায় ১৫ মাস যুদ্ধ চলার পর গত জানুয়ারিতে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে এক সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে দুই মাস যেতে না যেতেই তা ভেঙে পড়ে। এরপর থেকেই তা পুনরায় কার্যকর করতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন মিসরের মধ্যস্থতাকারীরা। তবে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সে চেষ্টায় তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ফিলিস্তিনি ও মিসরীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর এবং ইসরাইলি বন্দীদের মুক্তি নিয়ে গত সোমবার কায়রোতে আয়োজিত বৈঠক তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। ইসরাইল ৪৫ দিনের জন্য গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তাদের যুক্তি ছিল, এই বিরতিতে অবশিষ্ট বন্দীদের মুক্তির সুযোগ তৈরি হবে এবং পরে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে পরোক্ষ আলোচনা শুরু করা যাবে। তবে ইসরাইলের অস্ত্রসমর্পণের শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। তাদের দাবি, কেবল যুদ্ধ সমাপ্তির একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির অংশ হিসেবেই বাকি বন্দীদের মুক্তি দেয়া হবে।

গত জানুয়ারিতে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত হিসেবে ৩৮ জন বন্দীকে ছেড়ে দিয়েছিল হামাস। তাদের দাবি ছিল যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে আলোচনা কিন্তু ইসরাইল প্রস্তাব করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি। এ নিয়ে বাদানুবাদ থেকে গত এক মাস ধরে গাজায় আবার হামলা শুরু করেছে তেল আবিব। তাদের দাবি, বাকি ৫৯ বন্দীর মুক্তি এবং গাজা নিরস্ত্রিকৃত হলেই তারা ক্ষান্ত দেবে। ইসরাইলের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে হামাস বলে আসছে, কেবল সামগ্রিক যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা পেলেই তারা বন্দী মুক্তির শর্ত মেনে নেবে।

অবিলম্বে ‘গাজাযুদ্ধ’ বন্ধের দাবিতে ইসরাইলিদের গণস্বাক্ষর

এবার অবিলম্বে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও ইসরাইলি বন্দীদের মুক্তির দাবিতে ইসরাইলের অভ্যন্তরে শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে উঠৈছে। ইসরাইলের সামরিক, একাডেমিক ও চিকিৎসা পেশার হাজার হাজার মানুষ এই যুদ্ধবিরোধী আহ্বানে একাত্মতা প্রকাশ করছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

জানা গেছে, ‘রিস্টার্ট ইসরাইল’ ওয়েবসাইট অনুসারে, ইসরাইলে এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং বন্দিবিনিময়ের দাবিতে ৪৩টি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। ‘রিস্টার্ট ইসরাইল’ প্লাটফর্মটি অনলাইনে ইসরাইলিদের পিটিশন পর্যালোচনা এবং স্বাক্ষর করার সুযোগ দিচ্ছে। ইসরাইলি বন্দীদের মুক্তি ও অবিলম্বে যুদ্ধ সমাপ্তির আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক লাখ ২০ হাজার ৫২২ জন পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। পিটিশনগুলোর মধ্যে ১৬টিতে সামরিক বাহিনীর ১০ হাজারেও বেশি সদস্য স্বাক্ষর করেছেন, যার মধ্যে একাধিক ব্রিগেড, অভিজাত ইউনিট এবং গোয়েন্দা শাখার অভিজ্ঞ, রিজার্ভিস্ট ও সৈনিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি ২৭টি পিটিশন এবং চিঠিতে শিক্ষাবিদ, লেখক, কবি, শিল্পী, প্রকৌশলী এবং অন্যান্য পেশাদারসহ বেসামরিক পেশাদাররা স্বাক্ষর করেছেন।

স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক, সাবেক চিফ অব স্টাফ ড্যান হালুৎজ, চারজন সাবেক নৌ কমান্ডার- আমি আয়ালন, ইয়েদিদিয়া ইয়ারি, অ্যালেক্স তাল ও দুদু বেন-বেশত, ফ্লোটিলা ১৩ ইউনিটের সাবেক তিনজন কমান্ডার- রান গ্যালিঙ্কা, উজি লিভান্ট ও তজভিকা এরেজ এবং দু’জন সাবেক আর্টিলারি কমান্ডার আভ্রাহাম বার ডেভিড ও ডোরন কাদমিয়েল। এ ছাড়া আমরাম মিৎজনা, আভি মিজরাহি, আমোস মালকা, আমনন রেশেফ, মোশে সুকেনিক, নিমরোদ শেফার এবং ইলান বিরান-এর মতো আরো অনেক ঊর্ধ্বতন সামরিক ব্যক্তিত্ব পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। পিটিশনগুলোতে গাজায় আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ৫১ হাজারেও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। গাজায় তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও রয়েছে।

গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১০ জনসহ ৪৫ জন নিহত

গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় একই পরিবারের ১০ জনসহ ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইলের আলাদা দুই হামলায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শুক্রবার গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। এএফপি ও আলজাজিরা জানায়, সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা ১০ জনের লাশ এবং অনেক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজা উপত্যকার খান ইউনুসের পূর্ব দিকের বানি সুহাইলা এলাকায় ইসরাইলি দখলদারি বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া বারাকা পরিবারের বাড়ি ও আশপাশের বাড়িগুলো থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।’ বাসাল পরে ঘোষণা দিয়েছেন যে উত্তরাঞ্চলীয় গাজার তাল আল-জাতার এলাকায় আলাদা আরেকটি হামলা হয়েছে। দু’টি বাড়িতে এ হামলার ঘটনায় সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা পাঁচটি লাশ উদ্ধার করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেনি। এর আগে বৃহস্পতিবার ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪০ জন বাসিন্দা নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল সিভিল ডিফেন্স। নিহতদের বেশির ভাগই বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন। ১৮ মার্চ থেকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নতুন করে অভিযান শুরু করে ইসরাইল। তখন থেকে তারা গাজায় বিমান হামলা জোরদার এবং স্থল অভিযান বিস্তৃত করেছে।

গাজায় আটকা পড়েছে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ

অবরুদ্ধ গাজায় ২০ লাখেরও বেশি মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর খবর থেকে জানা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধ ও ত্রাণ সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে মানসিক চাপের মাত্রা বেড়েছে- বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। এ ছাড়াও দিন দিন মানসিক স্বাস্থ্যগত চাহিদাও বাড়ছে। মানবিকবিষয়ক সমন্বয় অফিসের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে ডুজারিক বলেন, ২ মার্চ ইসরাইল গাজায় মানবিক সাহায্যের প্রবেশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে মানবিক সরবরাহ প্রায় হ্রাস পাচ্ছে। জাতিসঙ্ঘ মুখপাত্র আরো বলেন, যুদ্ধের ফলে পানি খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কূপ, পাম্পিং স্টেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন শোধনাগারসহ প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সম্পদ হয় ধ্বংস হয়ে গেছে অথবা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডুজারিক জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি, দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খাদ্য, চিকিৎসা সরবরাহ এবং জনস্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা এবং যদি তা সরবরাহ করা না হয় তখন মানবিক ত্রাণ সরবরাহ করা।’ ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিমতীরের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, উত্তরে ইসরাইলি অভিযান অব্যাহত থাকায় হাজার হাজার বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হবেন : মোসাদ

ইসরাইলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বন্দী ও মিসিং ইন অ্যাকশন ইউনিটের প্রাক্তন প্রধান রামি ইগ্রা বলেছেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সময় ফুরিয়ে আসছে। তিনি দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হবেন। বুধবার রেডিও ১০৩ এফএম-এ ইগ্রা এমন মন্তব্য করেন। হামাসের সাথে বন্দিবিনিময়ের জন্য ইসরাইলি প্রস্তাবকে ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের কাছে উপস্থাপিত সবচেয়ে কঠিন প্রস্তাব’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। প্রাক্তন সিনিয়র মোসাদ কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারব যে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। কেন ইসরাইল রাষ্ট্র এই প্রস্তাবটি পেশ করেছে, যা স্পষ্টতই কেউ গ্রহণ করবে না। তারা এতে নিরস্ত্রিকীকরণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করেছিল। যদিও এটা স্পষ্ট যে হামাস শুরু থেকেই তার টিকে থাকার জন্য কাজ করে আসছে এবং তারা এতে রাজি হবে না।’ যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইসরাইলের প্রস্তাব নিয়ে মোসাদ কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘নেতানিয়াহু জানেন যে সময় ফুরিয়ে আসছে। এটা বন্দী সৈন্যদের জন্য নয়, বরং তার জন্য। নেতানিয়াহুকে যে সংবাদ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, ট্রাম্প স্পষ্টভাবে সেখানে বলেছিলেন যে যুদ্ধ শেষ হতে হবে এবং এটি দ্রুত শেষ হবে।’

তিনি যুদ্ধে ইসরাইলের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধে হেরে গেছি এবং আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই।’ সাবেক এই মোসাক প্রধান আরো বলেন, ‘বিষয়টি দ্রুত ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে নেতানিয়াহু ‘লিবিয়ার মতো ভেঙে ফেলার’ বাক্যাংশ ছড়াচ্ছেন, যেখানে আমেরিকানরা তার কথা শুনছে না। আমাদের বুঝতে হবে যে নেতানিয়াহু আমাদের এখানে হামাসের শাসনের বিকল্প ছাড়াই নিয়ে এসেছেন। তিনি তার রাজনৈতিক অংশীদারদের কারণে ও পরিস্থিতি সমাধানের ভয়ে দেড় বছর নষ্ট করেছেন।’