হেলানো মিনারের জন্য বিখ্যাত ইরাকের মসুল নগরীর প্রাচীন আল-নুরি মসজিদের পুনঃনির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে- খুব শিগগিরই এটি নামাজের জন্য খুলে দেয়া হবে।
রোববার (৩১ আগস্ট) আনাদোলু অ্যাজেন্সি জানিয়েছে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি মসজিদটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১৭ সালের জুনে ঐতিহাসিক এই মসজিদটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) বোমা মেরে উড়িয়ে দেয় বলে দাবি করে ইরাকি সেনাবাহিনী।
এরপর ২০১৮ সালের এপ্রিলে ইরাক সরকার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) মসজিদটি পুনঃনির্মাণে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

সে সময় এ প্রসঙ্গে ইউএইর সংস্কৃতিমন্ত্রী নুরা আল কাবি জানিয়েছিলেন, ‘মসুলের ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণে তার দেশ পাঁচ কোটি চার লাখ ডলার দেবে।’ হাজার বছরের পুরনো এ সভ্যতা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই ইউএই এ অর্থ অনুদান দেয়।
আল-নুরি মসজিদ নির্মিত হয় ১১৭২ সালে নুরেদ্দিন আল জিংকির নির্দেশে। একসময় তিনিই আলেপ্পো ও মসুল শাসন করেছেন। তার নামেই এ মসজিদের নামকরণ হয়। ইরাকে যে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপনা মূল কাঠামো নিয়ে টিকে ছিল, সেগুলোরই একটি ছিল আল-নুরি মসজিদ।

আল-নুরি মসজিদে দাঁড়িয়ে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি ২০১৪ সালে বক্তৃতা দেন এবং সেটাই ছিল জনসমক্ষে তার একমাত্র বক্তব্য। আইএস হেলানো মিনারকে (আল-হাবদা) নিজেদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেছিল এবং বাগদাদি এখান থেকেই ইরাক ও সিরিয়াজুড়ে ‘খেলাফত’ ঘোষণা করেছিলেন।