নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে জসীমউদ্দিন ও ছেলে রাহুল আহমেদকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষে লোকজন।
রোববার দুপুরে আহত রাহুল আহমেদ সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে গত শনিবার সকালে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাত ভাইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার সাত ভাইয়াপাড়া গ্রামের জসীমউদ্দিন এলাকায় বিচার-শালিস করে থাকেন। একই এলাকার হারকিউলিকসের ছেলে সেজান বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। জসীমউদ্দিন তাকে শাসন করায় তার সাথে বিরোধ দেখা দেয়। গত শনিবার সকালে জসীমউদ্দিনের মুদি দোকানের সামনে সেজানের নেতৃত্বে রাতুল মিয়া, সজিব মিয়া, মাছুম মিয়া, মাসুদ রানাসহ আরো তিন-চার দা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, সুইস গিয়ার চাকু, লোহার রড, এসএস পাইপ নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন। এসময় দোকানদার জসীমউদ্দীন গালাগালি করিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে তারা জসীমকে এলোপাথাড়িভাবে মারধর করেন ও ছুরিকাঘাত করে দোকানের মালপত্র ও নগদ টাকা লুট করেন। খবর পেয়ে আহতের পরিবারের লোকজন ও তার ছেলে রাহুল আহমেদ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে রাহুল আহমেদকেও তারা কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহত জসীমউদ্দিন বলেন, সেজানকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেয়ার কারণে তার লোকজন তাকে ও তার ছেলেকে কুপিয়ে আহত করে। দোকানে হামলা চালিয়ে লুটপাট ভাঙচুর করে। কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হলে কেউ আর অপরাধের প্রতিবাদ করবে না।
অভিযুক্ত সেজানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: গোলাম সারোয়ার বলেন, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।