সংগঠিত অপরাধ দমনে আইনগত সংস্কার অনুমোদনের জন্য কংগ্রেসে উদ্যোগ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চিলির প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত।
বুধবার (৫ আগস্ট) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন। এটি তার নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতিও ছিল।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে হত্যা ও অপহরণের ঘটনা বেড়েছে। এর জন্য ভেনিজুয়েলার ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’র মতো বিদেশী অপরাধী চক্রের উপস্থিতিকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে এরপরও চিলি ল্যাটিন আমেরিকার সবচেয়ে নিরাপদ দেশগুলোর একটি।
৬০ বছর বয়সী কট্টর ডানপন্থী আইনজীবী কাস্ত গত মার্চে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার সময় অপরাধ ও অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর অঙ্গীকার করেছিলেন।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে কাস্ত বলেন, ‘৩০টিরও বেশি বিল রয়েছে। এর কিছু ইতোমধ্যে কংগ্রেসে রয়েছে। এসব আইন চিলিতে সংগঠিত অপরাধ মোকাবেলার পদ্ধতিই বদলে দেবে।’
তিনি জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরো কিছু বিল কংগ্রেসে জমা দেয়া হবে।
২০২৫ সালে দেশটিতে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে হত্যার হার দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৪-এ। যা এক দশক আগের তুলনায় দ্বিগুণ।
কাস্ত জানান, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের ‘সাংবিধানিক দায়িত্ব’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনবেন।
অপরাধ দমনে দ্রুত সাফল্য না পাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে দায়িত্ব নেয়ার মাত্র ৬৯ দিনের মাথায় নিজের প্রথম নিরাপত্তামন্ত্রী, সাবেক কৌঁসুলি ত্রিনিদাদ স্টেইনার্টকে পদত্যাগ করতে বলেন কাস্ত।
সূত্র: বাসস