ইকুয়েডরের দক্ষিণ-পশ্চিম সমুদ সৈকত সংলগ্ন এলাকায় একটি বোর্ডওয়াকে একাধিক বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণে ছয়জন নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।
দেশটির পুলিশ গতকাল রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে।
কুইটো থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দেশটির জনপ্রিয় তিমি পর্যবেক্ষণ পর্যটনকেন্দ্র পুয়ের্তো লোপেজে ওই হামলা হয়। একটি ভ্যান ও দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা ব্যক্তিরা বোর্ডওয়াকে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের গুলিবর্ষণে ছয় ব্যক্তি নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এটি ছিল সপ্তাহান্তে শহরটিতে তৃতীয় প্রাণঘাতী হামলা, যেখানে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়জন।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলাকারীদের অবস্থান এখনো জানা যায়নি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে এ হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।
ইকুয়েডর বিশ্বের কোকেনের শীর্ষ দুই রফতানিকারক দেশ কলম্বিয়া ও পেরুর মাঝখানে অবস্থিত। মেক্সিকান ও কলম্বিয়ান কার্টেলের সাথে যুক্ত গ্যাংগুলোর সহিংসতা সেখানে বেড়ে গেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার প্রণীত কঠোর নীতিগুলো সহিংসতার ঢেউ থামাতে এ পর্যন্ত খুব একটা কার্যকর হননি।
জেনেভা-ভিত্তিক অর্গানাইজড ক্রাইম অবজারভেটরির তথ্যমতে, পাড়া-মহল্লা ও জনসমাগমস্থলে হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষ এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে বছর শেষে প্রতি এক লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৫২ জন হত্যাকাণ্ড শিকার হয়েছে, যা সর্বোচ্চ।
সূত্র : বাসস