আগামী ৫ মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মচারীদেরকে বিচার বিভাগের সহায়ক কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন ভাতা প্রদান ও ১ম-৬ষ্ঠ গ্রেডের পরবর্তী ৭ম-১২তম গ্রেডভুক্ত করা’সহ সকল ব্লকপদ বিলুপ্ত করে যুগোপযোগী পদ সৃষ্টি করে যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ রেখে স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়নের দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তারা।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ও দাবি জানানো হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক কাজী মো: সালাউদ্দিন দিদার। উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মো: রেজোয়ান খন্দকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: নাজিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি মো: আবদুল কাদির ঢালী, মো: দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: তারিক আহাম্মদ রিংকু প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে অধস্তন আদালতের কর্মচারীদের বৈষম্য নিরসনসহ দু’ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এ ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্মারকলিপি প্রদান’সহ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে।’
‘আলোচনায় দাবি বাস্তবায়নে আশ্বাস প্রদান করা হলেও এ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সাথে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা সাক্ষাৎ করে দাবি উপস্থাপন করেছেন। বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন অ্যাসোসিয়েশনের পেশকৃত দাবি যৌক্তিক হিসেবে সহমত পোষণ করলেও অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রদানকৃত কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশে অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মচারীদেরকে বিচার বিভাগের সহায়ক কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতাদি প্রদানের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব রাখা হয়নি এবং চাকুরি ও নিয়োগ বিধিমালার যুগোপযোগী সংস্কারের উল্লেখ করা হয়নি। আমরা আগামী ৪ মে’র মধ্যে আমাদের দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা পর দিন এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করব।’