সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটের প্রচার যাতে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিতে নতুন বিধান যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আচরণবিধি মেনে চলার ব্যাপারে কঠোরতা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে নির্বাচন সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন আনোয়ারুল।
‘আমরা সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রয়োগের যে ম্যাকানিজমগুলো যে ট্যুলসগুলো আছে, সেগুলোকে স্ট্রেনথেন করার জন্য বার বার মিটিংয়ে বসছি,’ বলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
নির্বাচনী আচরণবিধিকে ঢেলে সাজাতে নতুন যে খসড়া তৈরি করা হচ্ছে, সেটির কাজ প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।
সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করেই নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণবিধির নতুন খসড়া তৈরি করা হচ্ছে বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
‘খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত। এখন নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া নেয়া হবে। ইসি অনুমোদন দিলে ফাইনালি পাবলিশড হবে,’ সোমবার নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে বলেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারে সকল প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পান, নতুন আচরণবিধিতে সেটি নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার।
‘নির্বাচনী ব্যয় যথাসম্ভব ন্যূনতম রেখে, পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থায় একেবারে গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি যেখানে সব প্রার্থী সমভাবে প্রচার-প্রচারণা করতে পারবে, সে ধরনের এটিচিউড নিয়ে আমরা আচরণবিধিটা করতে চাচ্ছি,’ বলেন তিনি।
সূত্র : বিবিসি