সাঈদীকে জুডিসিয়াল ও মেডিকেল কিলিং করা হয়েছে মন্তব্য করে পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি শহীদ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এ দেশের সাধারণ মানুষের বাক স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল। আওয়ামী লীগ আমাদেরকে নির্বাচন করতে দেয়নি। দেশের মানুষ ভোটাধিকার ও স্বাধীনতার জন্য ১৭ বছর লড়াই করেছে। ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে বিজয়ের পর এ দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় বিজয় হচ্ছে ২০২৪-এর ৫ আগস্টের বিজয়।’

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলা মিলনায়তনে পিরোজপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘আমি বা আমাদের সংগঠন পরিবারতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়। পরিবারের সিদ্ধান্তে আমরা রাজনীতি করি না। সংগঠন যাকে যোগ্য মনে করে তাকেই মনোনয়ন দেয়। জামায়াত ইসলামী আমাকে ও আমার ভাই শামীম সাঈদীকে যোগ্য মনে করে পিরোজপুরের দু’টি আসনে মনোনয়নের ঘোষণা দিয়েছে।’

মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘যারা আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে তারা অবশ্যই শাস্তি পাবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। যারা আমার বাবাকে হত্যা করেছে তারা আওয়ামী লীগের লোক। তারা এখনো বিভিন্ন পদে আসীন রয়েছে। তাদের কারণে আমরা আমাদের বাবার হত্যার সমস্ত ডকুমেন্ট হাতে পাচ্ছি না। সব ডকুমেন্ট হাতে পেলেই আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করব।’

এ সময় বিএনপির সাথে সম্পর্কবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামী আওয়ামী আমলের মতো সরকার বা বিরোধী দল চায় না। জামায়াত চায় দেশে জনগণের ম্যান্ডেট নেয়া সরকার ও একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক।’

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক ছাড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব, জেলা সেক্রেটারি মো: জহিরুল হক, পিরোজপুর পৌর আমির মো: আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।