সিলেটে ইসরাইলবিরোধী প্রতিবাদ মিছিলের সুজোগে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। লুট করা জুতা বিক্রি করতে অনলাইনে বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরে তাদের আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
মিডিয়ার সাময়িক দায়িত্বে থাকা এসএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো: শাহরিয়ার আলম নয়া দিগন্তকে জানান, হামলা ও লুটপাটে জড়িতদের মধ্যে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে বিভিন্ন এলাকায় টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে নজরদারিও চলছে।
আটকরা হলেন সিলেট নগরীর কাজীটুলা এলাকার মো: রাজা মিয়ার ছেলে মো: রাজন (১৯), একই এলাকার আরব আলীর ছেলে ইমন (১৯), দ্বীন ইসলামের ছেলে মো: রাকিব (১৯), সাদ আহমদের ছেলে মিজান আহমদ (৩০), সওদাগরটুলা এলাকার মরহুম আবুল বাশার মিয়ার ছেলে মো: আব্দুল মোতালেব (৩৫), গোয়াইটুলা এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে সাব্বির আহমদ (১৯), কোম্পানীগঞ্জের ফরিদ মিয়ার ছেলে জুনাইদ আহমদ (১৯), মিরের ময়দান এলাকার মরহুম মোস্তফা মিয়ার ছেলে মো: রবিন মিয়া (২০), শাহী ঈদগাহ এলাকার মো: মহছন আহমদের ছেলে মোস্তাকিন আহমদ তুহিন (১৯), দরগাহ গেট এলাকার আব্দুল ছাত্তারের ছেলে মো: দেলোয়ার হোসেন (৩০), শেখঘাট এলাকার শামীম আহমদের ছেলে মো: রিয়াদ (২৪), বালুচর নতুন বাজার এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে মো: তুহিন (২৪), বটেশ্বর বাজারের সেলিম রেজার ছেলে আল নাফিউ (১৯) এবং নোয়াখালীর চাটখিল থানার পশ্চিম নাহারখিল গ্রামের সৈয়দ আলতাফ মানিকের ছেলে সৈয়দ আল আমিন তুষার (২৯), বিয়ানীবাজার উপজেলার গোবিন্দ্রশ্রী গ্রামের মরহুম ইউসুফ আলীর ছেলে মো: সোহেল খান (৪২), সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীদ্দরপাশা গ্রামের শাহ নূর মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া রুপন (৩৫), বিশ্বনাথ উপজেলার জানাইয়া গ্রামের মরহুম নন্দন মালাকারের ছেলে অরুন মালাকার (৩৫)।
এদিকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া লুটপাটের ভিডিও পর্যালোচনা করে জড়িতদের আটক অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।