হাতিয়ায় ভাসানচর থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো এক জেলা পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম (২৮) ও এক রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তাদেরকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

রোববার (১ জুন) সকালে রামগতির বিবিরহাটের কাছে মেঘনা নদী থেকে হাসিনা খাতুন (২৫) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার গিয়াস উদ্দিন (৫৩) নামে একজনকে নদী থেকে জেলেরা উদ্ধার করেছে। তিনি ভাসান চরে ডাক বিভাগে সাব পোস্ট মাস্টার ছিলেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ভাসানচরের উত্তর পাশে মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। জাহাঙ্গীর মাঝির ট্রলারটি ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে সকালে ভাসানচর থেকে ছেড়ে আসে। এতে ২২ জন সাধারণ যাত্রী, ছয়জন রোহিঙ্গা, তিনজন পুলিশ, চারজন আনসার ও চারজন ট্রলারের মাঝি-মাল্লা ছিল। এটি হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের করিম বাজার ঘাটে যাচ্ছিল।

উদ্ধার হওয়ায় ব্যক্তি জিয়াউল হক জানান, ‘তারা ঈদের ছুটিতে ভাসানচর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নদীতে ট্রলারের তলা ফেটে পানি ঢুকে পড়লে এ ঘটনা ঘটে। জীবিত উদ্ধার হওয়া চারজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন ফারহানা বিনতে মমিন, ইসমত আরা, মো: তারেক, ফাতেমা খাতুন।

হাতিয়া নলচিরা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশিষ চন্দ্র সাহা জানান, এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ‘৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৫জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। রোববার সকালে লক্ষীপুরের রামগতি থেকে এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক পুলিশ সদস্যসহ এখনো দু’জন নিখোঁজ রয়েছে।’