চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মিনু আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর পালিয়ে গেছেন স্বামী ফরিদুল আলম।

আজ শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ইলশা শেওলাবাপের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী ফরিদুল আলম পলাতক রয়েছেন।

মিনু আক্তার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ইলশার অজি আহমদের মেয়ে এবং অভিযুক্ত স্বামী ফরিদুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়নের ডোংরা কালু ফকির বাড়ির মরহুম দুধু মিয়ার ছেলে।

বাঁশখালী থানা পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক সমস্যার কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে ফরিদুল আলমের সাথে মিনু আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পেশাগত কারণে ফরিদুল আলম বেশিভাগ সময় চট্টগ্রাম শহরে থাকতেন এবং মাঝেমধ্যে বাড়ি আসতেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই ছিল বলে জানা গেছে। শুক্রবার ভোরে ফরিদুল চট্টগ্রাম শহর থেকে বাড়ি ফেরেন। এরপর ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী মিনু আক্তারের বাম চোখের পাশে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যান। মিনুর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, মিনু আক্তারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি বলেন, অভিযুক্ত স্বামী ফরিদুল আলমকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছেন।