ঢাকার সাভারে ঘুরার কথা বলে বাঁশঝাড়ে নিয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে (২৪) শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করেন স্বামী সোহাগ মোল্লা।

রোববার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো: শাহীনুর কবির।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এক বছর আগে আশুলিয়ায় নিহত তানিয়া আক্তার ও সোহাগ একই কারখানায় কাজ কারার সুবাদে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে তাদের বিয়ে হয়। তবে তাদের দু’জনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। সোহাগ প্রথম স্ত্রীর চাপে তানিয়াকে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে হত্যার জন্য বিরুলিয়ার কালিয়াকৈর বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। পরে সহজে তাকে হত্যা করতে প্রথমে শারীরিক সম্পর্ক করেন সোহাগ। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তানিয়াকে হত্যা করেন।

তিনি আরো বলেন, ঘাতক সোহাগ নওগাঁ জেলার সদর থানার বাছের আলী মোল্লাহর ছেলে। নিহত তানিয়া আক্তার নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার মো: নুরুল হকের মেয়ে। তানিয়ার প্রথম স্বামীর সংসারে আরিয়া (৬) নামে একটি মেয়ে রয়েছে। আরিয়া নারায়ণগঞ্জে নানা বাড়ি থাকেন।

এদিকে গ্রেফতার সোহাগকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে গামের্ন্টস কর্মী তানিয়া আক্তারের লাশ বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।