নোয়াখালীর হাতিয়ায় মামাতো বোনকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি সাকিব উদ্দিনকে (২২) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ (সিপিসি-৩, নোয়াখালী)।
রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে এক প্রেস রিলিজে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১ এর স্কোয়াড কমান্ডার মো: মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী সদর উপজেলার সুধারাম থানাধীন মাইজদী প্রধান সড়কের মরিয়ম সুপার মার্কেটের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সাকিব উদ্দিন হাতিয়া উপজেলার ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নের মধ্যম সোনাদিয়া গ্রামের (৮নং ওয়ার্ড) মো: সফিকের ছেলে।
র্যাব জানায়, মামলার ভিকটিম ও আসামি পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। গত ৫ জুন ভিকটিম, মামলার বাদি (ভিকটিমের অভিভাবক) ও আসামিসহ স্বজনরা বাদির বড় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। ওই দিনই বিকেলে ভিকটিমকে গ্রাম ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে বের হন সাকিব। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে হাতিয়া উপজেলার ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা (৭নং ওয়ার্ড) বেড়িবাঁধ সংলগ্ন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীকালে বাতি ভিকটিমকে খোঁজাখুঁজি করে সাকিবের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। ভিকটিম অসুস্থ বোধ করলে পুরো বিষয়টি পরিবারকে জানান। এরপর ভিকটিমকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২৫ এর সংশোধিত অধ্যাদেশে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকেই র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি আভিযানিক দল গোপন গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ জুলাই সন্ধ্যায় মাইজদীর রাজমিন ক্লথ অ্যান্ড গার্মেন্টস নামক দোকানের সামনে রাস্তার ওপর থেকে সাকিবকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নোয়াখালীর সুধারাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।