চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অস্ত্র ও মাদকসহ ২৫ মামলার আসামি পিয়াল মাহমুদ সাদ্দাম (৩২) ও তার সহযোগী আতাউর রহমান রকিকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের তার নিজ মুরগির ফার্ম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার পিয়াল মাহমুদ সাদ্দাম কুমারী ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল মজিদের ছেলে ও তার সহযোগী আতাউর রহমান রকি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার বাজারপাড়ার মরহুম মজিবর রহমানের ছেলে।
এসময় তাদের নিকট থেকে দেশীয় ওয়ান শুটার গান (পিস্তল), একটি রামদা, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং ৫২ পিছ নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি ১২৫ সিসি টিভিএস রাইডার ও একটি ইয়ামাহা আরএক্স মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পিয়ালের বিরুদ্ধে ডাকাতি, মারামারি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে ২৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়া আতাউর রহমান রকির বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় একটি মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আলমডাঙ্গা থানাপুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্লভপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ওই গ্রামের মাঠের মধ্যে পিয়াল মাহমুদ সাদ্দামের নিজ মুরগি ফার্ম থেকে সাদ্দামসহ তার সহযোগী রকিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের নিকট থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান (পিস্তল), একটি রামদা, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং ৫২ পিছ নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি ১২৫ সিসি টিভিএস রাইডার ও একটি ইয়ামাহা আরএক্স মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। তাদের নিকট থেকে অস্ত্র, মাদক ও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।