গাইবান্ধার সাঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির পাট কাটার ধারালো বেগির (বড় কাস্তে) কোপে দাদি ফেরোজা বেগম (৫৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাতি শাকিল আহম্মেদকে (২০) আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের খামার পবনতাইড় গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরোজা বেগম আহত আব্দুল করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী।
আটক শাকিল আহম্মেদ একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং আব্দুল করিমের নাতি।
স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল জানান, আজ দুপুরে বাড়ির পাশের একটি জমিতে পাট কাটার সময় পূর্বের পারিবারিক বিরোধের জেরে শাকিল আহম্মেদের সাথে দাদি ফেরোজা বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাকিল তার হাতে থাকা ধারাল পাট কাটার বেগি দিয়ে ফেরোজা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে আব্দুল করিমকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
স্থানীয়রা দু‘জনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেয়ার পথেই ফেরোজা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত আব্দুল করিম বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছে। নিহতের লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।