খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফের (প্রসীত গ্রুপ) সদস্য সুবি ত্রিপুরা (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জন্য দলটির খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ মারমা আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস (সন্তু লারমা)-কে দায়ী করেন।

বুধবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে তাইন্দং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হেডম্যানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুবি ত্রিপুরা হেডম্যানপাড়া এলাকার বাসনা ত্রিপুরার ছেলে। এ সময় গুলিতে সুবি ত্রিপুরার ছোট বোন তারাপতি ত্রিপুরা (২০) আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তারাপতি ত্রিপুরার স্বামী ধন ত্রিপুরা।

ইউপিডিএফের (প্রসীত গ্রুপ) খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ মারমা এক বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার সময় শক্তি ত্রিপুরা ও কম্বল ত্রিপুরার নেতৃত্বে জেএসএস সন্তু গ্রুপের ১৫ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাইন্দংয়ের হেডম্যানপাড়ায় হানা দিয়ে সেখানে সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলে ইউপিডিএফ সদস্য সুবি ত্রিপুরা (৩৫) নিহত হন। এছাড়া সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে সুবি ত্রিপুরার ছোট বোন তারাবতী ত্রিপুরা (২০) কপালে জখম হয়ে আহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীরা গত রাতে পানছড়ির রূপসেনপাড়া এলাকা থেকে নো ম্যানস ল্যান্ড হয়ে হেডম্যানপাড়ায় এসে এ হামলা চালায়।

তাইন্দংয়ে ইউপিডিএফ সদস্যকে হত্যা ও নারীকে আহতের ঘটনায় জড়িত সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি প্রদান এবং সন্তু লারমাকে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ইউপিডিএফের বার্তা প্রেরক নিরন চাকমা।

এ ঘটনায় জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ লাশ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। ঘটনাস্থল অতি দুর্গম হওয়ায় পুলিশ এখনো পৌঁছাতে পারেনি।’