বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিনে ঢাকার বাতাসের মানে বেশ উন্নতি লক্ষ করা গেছে। এমনকি বৃষ্টি না হলেও দূষণের মাত্রা তেমন বাড়েনি। তবে আজ অনেকটা উল্টাচিত্র দেখা গেছে। রাতভর বৃষ্টি হয়েছে, সকালেও ছিল ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। তা সত্ত্বেও ঢাকার বাতাসের মানে অবনতি হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল সেয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৯২। যা গত কয়েকদিনে সর্বোচ্চ।

গতকাল রোববার একই সময়ে ৫৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৫১তম স্থানে ছিল ঢাকা। তার আগেরদিন শনিবার একই সময়ে ৬৯ একিউআই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ শ্রেণিভুক্ত ছিল ঢাকার বাতাস।

বায়ুমান সূচক অনুযায়ী আজও ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’ পর্যায়েই রয়েছে, তবে সেটি ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে ওঠার খুবই কাছাকাছি চলে গেছে। ৯২ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার ১৬তম স্থানে চলে এসেছে ঢাকা।

এদিকে, একই সময়ে ১৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা। ১৭৩ ও ১৭২ স্কোর নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাহরাইনের মানামা এবং কঙ্গোর কিনশাসা। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭১। গতকাল ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল শহরটি।

কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এছাড়া ১০১ থেকে ১৫০-হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেয়া হয়।

তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০-হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।

বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন। সূত্র : ইউএনবি