আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে মরক্কোতে শুরু হতে যাচ্ছে আফ্রিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর আফ্রিকান নেশনস কাপ।

আফ্রিকান নেশনস কাপের ১০টি রেকর্ড :

- মিশর রেকর্ড সাতবার এই প্রতিযোগিতা জিতেছে, যার মধ্যে ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে টানা তিনটি শিরোপা রয়েছে। ‘ফারাও’রা ২৬টি আসরে মোট ১১১টি ম্যাচ খেলেছে, এর মধ্যে রয়েছে ৬০টি জয়, ২৪টি ড্র এবং ২৭টি হার।

- সম্প্রতি পুনঃনির্বাচিত ক্যামেরুন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক তারকা সামুয়েল ইতো ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ছয়টি টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৮টি গোল করেছেন।

- পরলোকগত আইভরি কোস্টের কিংবদন্তী তারকা লরেন্ট পোকু এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন। ১৯৭০ সালে সুদানের টুর্নামেন্টে ইথিওপিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে ৬-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচটিতে তিনি একাই পাঁচটি গোল করেন।

- ২০১৯ সালে মৃত্যুবরণ করা এনদায়ে মুলাম্বা একটি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী। তিনি ১৯৭৪ সালে মিশরে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন জাইরের (বর্তমান কঙ্গো) হয়ে নয়টি গোল করেছিলেন।

- ১৯৭৪ সালের কায়রো ফাইনালই একমাত্র ফাইনাল যা পুনরায় খেলতে হয়েছে। ২-২ গোলে ড্রয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে মুলাম্বা দুই গোল করে জাইরেকে জাম্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন।

- প্রথম ফাইনালেই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড হয় খার্তুমে। মিশর ৪-০ গোলে ইথিওপিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জয় করেছিল। চারটি গোলই করেছিলেন মোহাম্মদ দিয়াব এল-আত্তার, যিনি ‘দিবা’ নামে বেশি পরিচিত।

- নয়টি ফাইনাল ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে টাইব্রেকারে (পোস্ট-ম্যাচ পেনাল্টি শুটআউট)। সবচেয়ে দীর্ঘ শুটআউটটি হয় ১৯৯২ সালে, যখন সেনেগালে আইভরি কোস্ট ১১-১০ ব্যবধানে ঘানাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।

- ঘানার আন্দ্রে ‘পেলে’ আয়ু, মিশরের আহমেদ হাসান, তিউনিসিয়ার ইউসুফ মসাকনি এবং ক্যামেরুনের রিগোবেয়ার সং, এই চারজনই রেকর্ড আটটি করে টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন।

- কোচ হাসান শেহাতা রেকর্ড টানা তিনটি টুর্নামেন্ট জিতেছেন। ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০ সালের ফাইনালে মিশরকে শিরোপা উপহার দিয়েছেন তিনি। এছাড়া ঘানার চার্লস জিয়ামফিও তিনটি ফাইনাল জিতেছেন, ১৯৬৩, ১৯৬৫ ও ১৯৮২ সালে।

- তিউনিসিয়া টুর্নামেন্টে টানা সর্বাধিক অংশগ্রহণের রেকর্ড গড়েছে। ১৯৯৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ১৭টি আসরে তারা খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ‘কার্থেজ ঈগলস’ ২০০৪ সালের আয়োজক হিসেবে সেই টুর্নামেন্টে শিরোপাও জেতে। বাসস