সুযোগ পেয়ে হাতছাড়া করলেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে তুলে নিলেন প্রথম হ্যাটট্রিক, প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। কাইরাত আলমাতিকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা।
পাভলোদার সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কাইরাতকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এমবাপ্পের ৩ ও ১টি করে গোল করেছেন এদুয়ার্দ কামাভিঙ্গা ও ব্রাহিম দিয়াজ।
আগের ম্যাচটা ভুলে যাওয়ার মতো না রিয়াল মাদ্রিদের। লস ব্লাঙ্কোজরা লা লিগার ম্যাচে হেরে বসে আথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে, ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে। তবে সেই ধাক্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠেছে জাভি আলোনসোর দল।
ছয় হাজার ৪০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি নিয়ে মাঠে নেমে শুরুতে কিছুটা নড়বড়ে দেখা যায় মাদ্রিদকে। স্বাগতিকেরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারতো প্রথম মিনিটেই। তবে থিবু কোর্তোয়া বাধা হয়ে দাঁড়ান।
তবে আর সুযোগ না দিয়ে ২৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। সবাইকে পেছনে ফেলে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে গোলরক্ষক ফাউল করলে পেনাল্টি পায় সফরকারীরা।
সফল স্পট কিকে আসরে নিজের তৃতীয় ও ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন এমবাপ্পে। প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশে আরো একাধিক আক্রমণে ওঠে রিয়াল, জালের দেখা পায়নি কেউ।
তবে বিরতির পর অপেক্ষা বাড়েনি। ৫২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় এমবাপ্পে। গোলে বড় কৃতিত্বটা অবশ্য গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার। তার লম্বা পাস পেয়ে দ্রুত এগিয়ে কাইরাতের জালে বল জড়ান এমবাপ্পে।
৭৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক তুলে নেন ফরাসি তারকা। আর্দা গুলেরের পাস বক্সে পেয়ে কাইরাতের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে। ইউরোপ সেরার মঞ্চে এবার দুই ম্যাচে তার গোল হলো ৫টি। সব মিলিয়ে মৌসুমে তার গোল এখন ১৩টি।
৮৩তম মিনিটে ব্যবধান আরো বাড়ান তিন মিনিট আগে চুয়ামেনির বদলি নামা কামাভিঙ্গা। রদ্রিগোর ক্রসে ডি-বক্সের কাছ থেকে হেডে গোলটি করেন ফরাসি মিডফিল্ডার।
আর যোগ করা সময়ে গঞ্জালো গার্সিয়ার পাস পেয়ে কাইরাতের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকেন দিয়াজ। তাতে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলোনসোর শিষ্যরা।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে মার্শেইকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট আপাতত ৩৬ দলের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে এমবাপ্পেরা।