ক্লাব কিংবা জাতীয় ফুটবল দল। যারাই ভারতে খেলতে যায় তাদের মুখোমুখি হতে হয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বাধার। ১৯৯৫ সালের মাদ্রাজ সাফ গেমস ফুটবলের ফাইনালের দিন বাংলাদেশ দলকে প্রায় দু'কিলোমিটার পথ হেঁটে মাঠে পৌঁছাতে হয়েছিল।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কাপ খেলতে ভারত যাওয়া বসুন্ধরা কিংসও ভারতীয়দের নেতিবাচক আচরণ ও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছিল। এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন অবস্থান করছে মেঘালয়ের শিলংয়ে। সেখানে আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। এই ম্যাচের আগে ভারতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নানা বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে হাভিয়ার কাবরেরা বাহিনীকে।
পরশু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দল অনুশীলন করেছিল নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে। তাও টাকা দিয়ে। এর আগে বন্ধ করে দেয়া হয় স্টেডিয়ামের সমস্ত লাইট। গতকাল ভারতীয় দল সকালে ম্যাচ ভেন্যু জহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুশীলন করলেও বাংলাদেশ দল সে অনুমতি পায়নি। ম্যাচ কমিশনার এবং ইন্ডিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের সাথে কথা বলেও সুরাহা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই টার্ফের মাঠে অনুশীলন করতে হয়েছে। যদিও খেলা হবে ঘাসের মাঠে। এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ম্যানেজার। এরপরও বাংলাদেশ দল নির্দিষ্ট লক্ষ্যেই সঠিকভাবে এগুচ্ছে বলে জানান আমের খান।
এদিকে ভারতের সাথে ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দল সেট পিসে বেশি জোর দিচ্ছে। এই স্পট কিক থেকে যেন গোল না খেতে হয়। সে সাথে সেট পিসে গোল পাওয়া। জানান ডিফেন্ডার তপু বর্মন। তপু তথ্য দেন, মালদ্বীপের বিপক্ষে ভারতের ৩ গোলের সব কটিই ছিল সেট পিস থেকে। সে সাথে ভারতীয় দলে ফেরা স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রীকে নিয়েও সতর্ক। এই সেট পিস থেকে নিজে গোল করতে চান তপু।
বাংলাদেশ দলে নবাগত হলেও অল্প সময়েই সবার সাথে মানিয়ে নিয়েছেন হামজা চৌধুরী। তিনি বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ। নিজ থেকেই মিশছেন সবার সাথে। জানান ফরোয়ার্ড মো: ইব্রাহিম ও তপু।
তপু জানান, আমরা শুধু খেলা নিয়েই নই। পরিবার নিয়েও কথা বলি হামজার সাথে। তার লাইফ স্টাইল খাবার দাবার সব নিয়েই কথা হচ্ছে। এখন আমাদের মধ্যে যে বন্ডিং তা বজায় থাকলে ভালো কিছুই হবে ভারতের বিপক্ষে।