জয় দিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু করেছে ফ্রান্স। ইউক্রেনের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে বাছাইপর্ব শুরু করেছে ২০১৮ বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ীরা। গোল পেয়েছেন এমবাপ্পে ও মাইকেল ওলিস।

শুক্রবার পোল্যান্ডের মাঠে ইউক্রেনের মুখোমুখি হয় ফ্রান্স। যেখানে ছিল তাদের একক আধিপত্য। ৫৬ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে গোলের জন্য ১৬টি শট নেয় তারা, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে।

বিপরীতে ইউক্রেনের ৮ শটের মাত্র ৩টি লক্ষ্যে ছিল। তবে জালের দেখা পায়নি একবারও। তবে ম্যাচের মাত্র দশম মিনিটে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। পেয়ে যায় প্রথম উপলক্ষ।

বার্কোলার পাস বক্সে ফাঁকা জায়গায় পেয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ওলিসে। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এই মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের উইঙ্গারের গোল হলো ৫টি।

প্রথম গোল আদায়ের পর দ্বিতীয় গোলের জন্য একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় ফরাসীরা। অষ্টাদশ মিনিটে ওলিসের নেয়ার আরেকটি শট আটকে দেন ইউক্রেনের গোলরক্ষক।

পরের মিনিটে দিজিরে দুয়ের শটও ব্যর্থ করে দেন তিনি। দুই মিনিট পর লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন এমবাপ্পে। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফ্রান্স।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুয়ের বদলি হিসেবে উসমান দেম্বেলেকে নামান ফ্রান্স কোচ। ৫৮তম মিনিটে একটি সুযোগ পান পিএসজির এই ফরোয়ার্ড। তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।

অন্যদিকে ইউক্রেন ভালো সুযোগ পায় ৬৫তম মিনিটে। তবে ইব্রাহিমা কোনাতের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় ফ্রান্স। আর্তেমের হেড গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে প্রায় জালে জড়াতে যাচ্ছিল, কিন্তু হেডে গোললাইন থেকে তা ক্লিয়ার করেন কোনাতে।

খানিক বাদেই ফের ইউক্রেন দুর্ভাগ্যের শিকার হয় তাদের একটি হেড গোলপোস্টে লাগায়। তবে তাদের ফিরে আসার চেষ্টা বড় ধাক্কা খায় ৮২ মিনিটে। অহেলিয়া চুয়ামেনির পাস ধরে বল জালে জড়ান এমবাপ্পে।

এই গোলে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের তালিকায় দুই নম্বরে থিয়েরি অঁরির পাশে বসলেন এমবাপ্পে। দু’জনেরই গোল সমান ৫১টি করে। ৫৭ গোল করে চূড়ায় অলিভিয়ে জিরু।

অবশ্য নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে অঁরিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারান এমবাপ্পে। ওয়ান-অন-ওয়ানে চিপ শটে গোলরক্ষকের হাতে বল তুলে দেন এই তারকা।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী মঙ্গলবার ঘরের মাঠে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স।