গতরাতে দারুণ এক কীর্তি ছুঁয়েছেন পেপ গার্দিওয়ালা, চ্যাম্পিয়নস লিগে কোচ হিসেবে করলেন ‘সেঞ্চুরি’। তবে কোচের শততম ম্যাচের উপলক্ষটা রাঙাতে ব্যর্থ শিষ্যরা, অভাবনীয়ভাবে হেরে গেছে লেভারকুসেনের কাছে।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে ২-০ গোলে হেরেছে সিটি। আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো প্রথমার্ধে লেভারকুসেনকে এগিয়ে নেয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়েছেন পাত্রিক শিক।
অথচ ম্যাচে বল দখলে অনেক এগিয়ে ছিল ম্যানসিটি, আক্রমণেও ছিল এগিয়ে। কিন্তু আসল কাজ করতে পারল না। বিপরীতে বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও আসল কাজটা করল বায়ার লেভারকুসেন।
লড়াকু ফুটবল উপহার দিয়ে প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে তারা ফিরল ৩ পয়েন্ট নিয়ে। মাটি করে দিল চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানেজার হিসেবে শততম ম্যাচের দায়িত্ব পালন করতে নামা গার্দিওয়ালার উপলক্ষ।
সহজ ম্যাচ ভেবে এদিন জানলুইজি দোন্নারুম্মা, আর্লিং হলান্ড, ফিল ফোডেন, জেমেরি ডোকুদের বেঞ্চে রেখেছিলেন গার্দিওয়ালা। তবে শেষ দিকে একে একে তাদের মাঠে ফেরালেও ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি।
ম্যাচের শুরু থেকেই জমে ওঠে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ। কাঙ্ক্ষিত গোল আসে ২৩তম মিনিটে। মিডফিল্ড থেকে আসা বল সিটির ডি-বক্সে পেয়ে যান ক্রিস্টিয়ান কোফানে। তিনি পাস দেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোকে।
বল পেয়ে দেরি করেননি তিনি, বাঁ-পায়ে বুলেট গতির শট নেন স্প্যানিশ উইঙ্গার। তাতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় জার্মান জায়ান্টরা। সমতা ফেরাতে না পারায় পিছিয়ে থাকার বিরতিতে যায় সিটি।
তিনটি পরিবর্তন এনে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সিটি। তবে উল্টা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফের গোল হজম করে বসে তারা, লিড দ্বিগুণ করে অতিথিরা।
৫৪ মিনিটে ইব্রাহিম মাজার দারুণ ক্রসে দুর্দান্ত হেডে জাল খুঁজে নেন প্যাট্রিক শিক। এটাই ছিল সিটির কফিনে শেষ পেরেক। বাকি সময়ে একের পর এক চেষ্টা করেও লেভারকুসেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সিটি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম হারের পর ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত ৬ নম্বরে আছে সিটি। ৮ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে উঠে এসেছে লেভারকুজেন।