আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে মাঠে নামার পর দীর্ঘ দুই বছর আর টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি নাসুম আহমেদের। অবশেষে গত পাকিস্তান সিরিজের শেষ ম্যাচে একাদশে ফেরেন তিনি।

প্রত্যাবর্তনের সেই ম্যাচে জোড়া উইকেট পেলেও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে একাদশে ঠাঁই হয়নি তার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই মাঠে নেমে গড়েছেন অনন্য কীর্তি, জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

সোমবার তৃতীয় ওভারে আক্রমণে ডাকা হয় নাসুমকে। বল হাতে পেয়ে পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন নাসুম। অল্পের জন্য অবশ্য হ্যাটট্রিক করতে পারেননি।

তবে পরে আরো একটি উইকেট নিয়ে নেন সিলেটের লোকাল বয়। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে মাত্র ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নাসুম ধসিয়ে দেন নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। ফলে বাংলাদেশ পায় সহজ জয়।

লাক্কাতুরা স্টেডিয়াম থেকে নাসুম আহমেদের বাড়ির দূরত্ব খুব বেশি নয়। দীর্ঘ দিন পর নিজের বাড়ির এত কাছের মাঠে খেলার সুযোগ পেয়ে তাই পরিবারের সদস্যদেরও মাঠে নিয়ে আসেন বাঁহাতি স্পিনার।

আর প্রথমবার মাঠে এসেই বাবার ম্যাচ সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখে তার ছোট্ট মেয়ে। ম্যাচ শেষে মেয়েকে মাঠেও নামিয়ে আনেন নাসুম। এরপর কথা বলেন গণমাধ্যমের সাথেও।

তিনি বলেন, আমার মেয়ে আজকে প্রথম মাঠে এসেছে। আমিও ম্যাচ সেরা হয়েছি। আমার ইচ্ছা ছিল, ওকে নিয়ে ট্রফিটা হাতে নেবো। তবে ও তখন কান্না করছিল। এর আগে তো এত মানুষ দেখেনি। যে কারণে নিয়ে আসতে পারিনি।

উল্লেখ্য, ৩৭ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নাসুমের এটি চতুর্থ ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি। এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের পক্ষে এর চেয়ে বেশি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতার রেকর্ড আছে শুধু সাকিব আল হাসান ১২ ও মাহমুদউল্লাহর পাঁচবার।