শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলো রংপুর বিভাগ। ‘অনড়’ তাদের সিংহাসন। ধরে রাখলো এনসিএল টি-টোয়েন্টির শিরোপা। টানা দ্বিতীয়বার এই লিগে চ্যাম্পিয়ন তারা। ফাইনালে হারিয়েছে খুলনা বিভাগকে।

আগের আসরে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রংপুর, এবার আকবর আলিদের শিকার তারকায় ঠাঁসা খুলনা। ৩ ওভার হাতে রেখে ৮ উইকেটে নিশ্চিত করেছে শিরোপা।

শিরোপা জয়ের কাজ অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিলেন বোলাররা। রোববার সিলেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করা খুলনাকে ৮ উইকেটে ১৩৬ রানে আটকে দেন তারা। যা পাড়ি দিতে কোনো সমস্যাই হয়নি রংপুরের।

৭ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন জাহিদ জাভেদ ও নাসির হোসেন। ওভারের শেষ বলে জাহিদ শেখ পারভেজের শিকার হলে ভাঙে জুটি। আউট হবার আগে করেন ২৪ বলে ২৭ রান।

এরপর নাইম ইসলামকে নিয়ে ৮৪ রান পৌঁছান নাসির। তবে এরপর আফিফকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে থামতে হয় ৩১ বলে ৪৬ করে। তবে খুলনাকে আর সুযোগ দেননি আকবর আলি ও নাইম ইসলাম।

দু’জনে ৩৪ বলে ৫৪ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে নিশ্চিত করেন জয়। নাইম ৩২ বলে ৪০ ও আকবর অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ১৯ রানে। ১৭ ওভারেই নিশ্চিত হয় রংপুরের জয়।

এর আগে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ইমরানুজ্জামানের (০) উইকেট হারায় খুলনা। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। ৬.১ ওভারে রান আউট হয়ে ১২ রানে শেষ হয় তার ইনিংস।

৩ বল পর আউট হন সৌম্য সরকারও। আবু হাসিমের বলে বোল্ড হবার আগে ২২ বল খেলে করেন মাত্র ৮ রান। আর আফিফ হোসেন ফেরেন ১০ বলে ১৪ রান নিয়ে ফিরলে ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারায় খুলনা।

পঞ্চম উইকেটের পতন হয় শেখ পারভেজ জীবন আউট হলে। ১২.৫ ওভারে দলকে ৬৯ রানে রেখে আউট হন তিনি। এরপরই হাল ধনের মোহাম্মদ মিথুন ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। দু'জনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা।

আলাউদ্দিন বাবুর শিকার হবার আগে ১৩ বলে ২৪ রান করেন মৃত্যঞ্জয়। তার বিদায়ে ভাঙে মিথুনের সাথে তার ষষ্ঠ উইকেটে গড়া ৪৪ রানের জুটি। এরপর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অধিনায়ক মিথুনও।

১৮তম ওভারে এসে খুলনার ইনিংসে ধস নামান আব্দুল্লাহ আল মামুন। পর পর দুই বলে তিনি আউট করেন মিথুন ও অভিষেক দাসকে। খুলনার অধিনায়ক আউট হন ৩২ বলে ৪৪ রান করে।

শেষদিকে নাহিদুল ইসলামের ৭ বলে ১১ ও জিয়াউর রহমানের ৯ বলে ৯ রানে ৮ উইকেটে ১৩৬ পর্যন্ত পৌঁছায় খুলনা। আব্দুল্লাহ আল মামুন নেন ২ উইকেট।