বরিশালকে নিয়ে যখন অস্থির ক্রিকেটপাড়া, তখন এলো নতুন খবর। আসন্ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) বরিশালের কোচ হিসেবে দেখা যাবে মোহাম্মদ আশরাফুলকে। বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেন ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান।
এনসিএলের চার দিনের আসরে টানা তিন মৌসুম ধরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে বরিশাল। গত বছর শুরু এনসিএল টি-টোয়েন্টিতেও তারা আট দলের মধ্যে হয়েছে অষ্টম।
মাঠের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের সাথে সিনিয়র ক্রিকেটারদের দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল। এমনকি স্কোয়াডে না থাকায় এক ক্রিকেটার অধিনায়ক ফজলে রাব্বিকে হত্যার হুমকিও দেন!
হুমকির ফোন রেকর্ডটি জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সংশ্লিষ্ট বিভাগেও আছে। তবে বিসিবি কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় গত বছর আসরের মধ্যবর্তী সময়ে অধিনায়কত্বই ছেড়ে দেন ফজলে রাব্বি।
ক্রিকেটারদের বেপরোয়া আচরণের কারণে প্রধান কোচ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান মজুমদার মাঝপথে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। তাছাড়া দলটির বিরুদ্ধে বিসিবিতে একাধিক রিপোর্ট জমা পড়েছে।
এমতাবস্থাতেই দলটার দায়িত্ব নিলেন আশরাফুল।
এ প্রসঙ্গে টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বরিশাল দলকে নিয়ে আমরা ভাবছি। আমাদের সেরা একজন ক্রিকেটার আশরাফুল। ওকে আমরা কোচ হিসেবে নিয়েছি।’
‘সে নিজেও ওই আগ্রহ দেখিয়েছে। সে বলেছে কোচ হতে চায়। যেহেতু সে বরিশালে দুই বছর খেলেছে, তাকে আমরা সেখানে কোচ হিসেবে নেয়ার পরিকল্পনা করেছি।’
শুধু আশরাফুল নয়, নতুন কোচিংয়ে আসা সাবেক অন্য ক্রিকেটারদেরও কোচিংয়ে সুযোগ করে দিতে চায় বিসিবি। এমনটা দাবি করে আকরাম খান বলেন, ‘সেলিম আছে, রোকন আছে, আফতাব আছে ওদের সাথেও আমরা আলাপ আলোচনা করব।’
‘ওরা যদি ফ্রি থাকে, আগ্রহী থাকে; ছোট ছোট যে টুর্নামেন্টগুলো হচ্ছে, ন্যাশনাল লিগ হচ্ছে, এখানে ইনভলভ করব। ওদের থেকে আমাদের ক্রিকেটাররা উপকৃত হবে।'
এ সময় বরিশাল বিভাগের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিয়ে আকরাম বলেন, ‘আমরা নিজেরাও এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। কারণ অন্য কোনো ডিভিশনের দল নিয়ে এরকম কথা-বার্তা হয় না। এরা ম্যানেজার নিয়ে খুশি না, কোচ নিয়ে খুশি না, অধিনায়ক নিয়ে খুশি না। খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এটা হওয়া উচিত না।’