হারের বৃত্ত ভাঙতে পারলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ ম্যাচেও হেরেছে দলটা। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের সবগুলো হেরে পেলো ধবলধোলাইয়ের তিক্ত স্বাদ। বিপরীতে অনন্য এক রেকর্ডের সাক্ষী হলো অজিরা।

মঙ্গলবার ওয়ার্নার পার্কে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ১৯.৪ ওভারে ১৭০ রানে অলআউট হয়ে যায় ক্যারিবীয়রা। জবাবে ৩ ওভার ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় মার্শের দল।

৫ ম্যাচের এই টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজে সব কয়টি জিতে অস্ট্রেলিয়া। সব মিলিয়ে এই সফরে অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে রেকর্ড ৮-০ ব্যবধানে।

কোনো সফরে হারের মুখ না দেখে সবচেয়ে বেশি জয় ভারতের, ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কায় ৯-০ ব্যবধানে জেতে সব সিরিজ। অস্ট্রেলিয়ার এবারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরটি আছে তালিকায় দুইয়ে।

একই মাঠে আগের দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আগে ব্যাট করে ২১৪ ও ২০৫ তুলেও জিততে পারেনি। আজ শেষ ম্যাচে দলটি তুলে মাত্র ১৭০ রান। তবুও শুরুতে চাপে পড়ে যায় অজিরা, ২৫ রানেই হারায় ৩ উইকেট।

মিচেল মার্শ (১৪) ও জশ ইংলিস (১০) দ্রুত ফিরে যান। আর আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আউট প্রথম বলেই। তবে রানের গতি কমেনি।

চতুর্থ উইকেট হয়ে টিম ডেভিড যখন আউট হন, তখন অস্ট্রেলিয়ার রান ৪.৪ ওভারে ৬০ রান। ১২ বলে ৩০ রান করেন ডেভিড। এরপর মিচেল ওয়েন ও ক্যামেরন গ্রিন গড়েন ২৯ বলে ৬৩ রানের জুটি।

মিচেল ওয়েন ১৭ বলে করেন ৩৭ রান। ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে আসে ১৮ বলে ৩২। ১২ ওভারে ১৪১ রানে ৬ উইকেট হারায় অজিরা। তবে অ্যারন হার্ডির ২৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসে জয় পেতে সমস্যা হয়নি।

এর আগে, বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরেন বাঁহাতি পেসার বেন ডোয়ারসুইস। নিয়েছেন ৩ উইকেট। তার তোপে ৪.৪ ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা। কেউ যেতে পারেননি দুই অংকে।

এরপর শেরফেইন রাদারফোর্ড পাল্টা আক্রমণে দলকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে ১৭ বলে ৩৫ রানেই থামতে হয় তাকে। এরপর শিমরন হেটমায়ার ৪৭ রানের জুটি গড়েন তিনি জেসন হোল্ডারের সাথে।

হোল্ডার আউট হন ১৪ বলে ২০ করে। দ্রুত ফেরেন রোমারিও শেফার্ড (৮)। খানিকটা পর ফিফটি তুলে ফেরেন হেটমায়ার। তিনটি করে চার ও ছক্কায় করেন ৩১ বলে ৫২ রান।

এরপর ১০ বলে ১৫ রানে ফেরেন ম্যাথু ফোর্ড। আর আকিলের ব্যাটে আসে ৯ বলে ১১। তবুও পুরো ২০ ওভার খেলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

দারুণ বল করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ডোয়ারসুইস। সিরিজসেরা ক্যামেরন গ্রিন। ৫ ম্যাচে তিন ফিফটিতে ২০৫ রান করেছেন তিনি।