সিলেট টেস্টে লিড নেয়ার স্বপ্ন বুনছে বাংলাদেশ। সেই পথে অনেকটা এগিয়েও গেছে টাইগাররা। পাকিস্তানের সব স্বীকৃত ব্যাটারদের ইতোমধ্যেই ফেরানো হয়েছে, এবার কেবল লেঁজ ছেটে ফেলার অপেক্ষা।

সিলেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে এই মুহূর্তে ৫২ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৩। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রান পেরিয়ে যেতে তাদের চাই আরো ৯৫ রান। মাঠে আছেন হাসান আলী ও সাজিদ খান।

রোববার (১৭মে) দ্বিতীয় দিনে কী করতে হতো, আগের দিনে সংবাদ সম্মেলনে বলে দিয়েছিলেন লিটন দাস। জানিয়ে ছিলেন সকাল সকাল কিছু উইকেট তুলে নিলে চাপে পড়ে যাবে পাকিস্তান।

চাপে কতোটা পড়লো তা সময়ই বলে দেবে। তবে সকাল সকাল উইকেট তুলে নেয়ার কাজটা সেরেছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী মিরাজ মিলে। নতুন দিনে ৭৫ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান।

দিনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলেই প্রথম উইকেট এনে দেন তাসকিন আহমেদ। তার বল আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাট ছুঁয়ে জমা পড়ে লিটনের গ্লাভসে। ফজল আউট হয়ে ফেরেন ২১ বলে ৯ রান নিয়ে।

পরের ওভারে এসে আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও (৩৪ বলে ১৩) ফেরান তাসকিন। বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান জোড়া উইকেট হারায় মাত্র ২ রানের মাঝেই।

সকাল সকাল ২ উইকেট হারানোর পর শান মাসুদ ও বাবর আজমের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। তবে জুটি বড় হতে দেননি মেহেদী মিরাজ। ২৬ বলে ২১ রান করা মাসুদকে ফেরান তিনি।

৩ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের রান দাঁড়ায় ৬১। এরপর সৌদ শাকিলকে নিয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বাবর আজম। ২৪.৫ ওভারে দলীয় ৭৯ রানে ফেরেন শাকিল। তাকে ৮ রানেই থামান মিরাজ।

এরপর সালমান আগাকে নিয়ে আরো ১৭ রান তুলে বিরতিতে যায় পাকিস্তান। বিরতি থেকে ফিরে ৬৩ বলে ফিফটি তুলে নেন বাবর। যা সাদা পোশাকে তার ৩১তম পঞ্চাশ। তবে ইনিংসটা আর বেশি বড় হয়নি।

বাবরকে শিকার করে উইকেটের খাতা খুলেন নাহিদ রানা। তার ফুল লেংথ বলে ফ্লিক করতে ক্যাচ তোলেন বাবর, সালমানের সাথে গড়া ৬৩ রানের জুটি ভেঙে ফেরেন ৮৪ বলে ৬৮ রান নিয়ে।

বাবরকে ফেরানোর পর উজ্জীবিত হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। তবে একটু বেশিই যেন উজ্জীবিত হন তাইজুল ইসলাম। বাবর ফেরার খানিকটা পরই সালমান আগাকে ফেরান তিনি, ২১ রান নিয়ে ফেরেন আগা।

পরের উইকেটটাও তার, ফেরান মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। ২৭ বল খেলে ১৩ রান করা এই ব্যাটারকে বোল্ড করেন তিনি। তাতেই পাকিস্তান হারায় তাদের শেষ স্বীকৃত ব্যাটারকে। ১৭৪ রানে হারায় ৭ উইকেট।

এখন হাসান আলী ও সাজিদ খান মিলে চেষ্টা করছেন ব্যবধান কতটা কমিয়ে আনা যায়। হাসান ব্যাট করছেন ১৮ রানে।