ইনিংসের মাঝপথে যদিও রানের গতি খানিকটা চেপে ধরে বাংলাদেশ, তবে ওপেনারদের গড়ে দেয়া ভিতে দাঁড়িয়ে বড় পুঁজিই পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। সিরিজে ফিরতে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৭১ রান।
নিজেদের ঘরের মাঠে কখনো ১৬৬ রানের বেশি তাড়া করে জেতেনি বাংলাদেশ। ফলে জিততে হলে আজ রেকর্ড গড়তে হবে লিটন দাস-সাইফ হাসানদের।
প্রথম ম্যাচ হেরে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে খাদের কিনারে, পা ফসকালেই শেষ সিরিজ জয়ের স্বপ্ন। এমতাবস্থায় টস ভাগ্য সায় দেয়নি। আজ (শনিবার) দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশরা।
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী হয়ে উঠে আয়ারল্যান্ড। প্রথম ওভার থেকেই বাংলাদেশের ওপর চড়াও হন পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টর। মাত্র ২৫ বলেই পেরিয়ে যায় ৫০ রানের গণ্ডি।
আগের ম্যাচে বড় পুঁজি পেয়েছিল আইরিশরা, আজ (শনিবার) চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও সেই পথেই হাঁটছে তারা। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে তুলে ৭৫ রান। একমাত্র উইকেটটি আসে ৪.৪ ওভারে।
পল স্টার্লিংকে ফেরান তানজিম সাকিব। যদিও সেই ওভারেও এসেছে ১৪ রান। স্টার্লিং আউট হন ১৪ বলে ২৯ করে সাইফ হাসানের দারুণ ক্যাচের শিকার হয়ে। দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় ৮.১ ওভারে, ৮৮ রানে।
শেখ মেহেদীর আর্ম ডেলিভারিতে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলার চেষ্টায় স্টাম্পিং হয়েছেন টিম। ২৫ বলে ৩৮ রান করেছেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে হ্যারি টেক্টরকেও (১১) ফিরিয়েছেন তিনি।
দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর কিছুটা গতি কমেছে আয়ারল্যান্ডের ইনিংসে। তবে এর মাঝেই ১১ ওভারে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায় আয়ারল্যান্ড। একই ওভারে আরো একটি উইকেট হারায় তারা, ফেরান বেঞ্জামিন ক্লেটিজকে (৭)।
১০.৩ ওভারে ১০৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন লরকান টাকার ও জর্জে ডকরেল। দুজনের জুটিতে ৪৪ বলে যোগ হয় ৫৬ রান। ডকরেল আউট হন ১৮.২ ওভারে ২১ বলে ১৮ করে।
লরকান টাকার রান আউট হন ইনিংসের শেষ বলে। ফেরার আগে করেন ৩২ বলে ৪১ রান। বাংলাদেশের হয়ে শেখ মেহেদী ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।