বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং ১০, নেদারল্যান্ডসের ১৩। খুব একটা ব্যবধান নেই পরিসংখ্যানেও, তিন ওয়ানডে খেলে দু’টিতেই হেরেছে টাইগাররা, পাঁচ টি-টোয়েন্টি খেলে হেরেছে এক ম্যাচে।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাই হেরে গেলেও ভড়কে যাবেন না লিটন দাস। তবে তেমন কিছু চান না তিনি, তবে এশিয়া কাপের আগে এই সিরিজ থেকে ভালো কিছুর আশায় বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এই সিরিজ থেকে আত্মবিশ্বাসের রসদ আরো সমৃদ্ধ করতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। এশিয়া কাপে যেতে চান পূর্ণ প্রস্তুত হয়েই। শনিবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে নামার আগে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানান লিটন।
তিনি বলেন, ‘আমরা খেলব জেতার জন্যই। যেহেতু আমাদের হাতে খুব বেশি সময়ও নেই, এই সিরিজের পরই বড় আসর, এশিয়া কাপ। আমার মনে হয় এশিয়া কাপের আগে এটি একটি খুব ভালো সিরিজ হবে বাংলাদেশ দলের জন্য।এই সিরিজ থেকে ভালো কিছু নিতে পারব এশিয়া কাপের জন্য।’
তবে বিষয়টা যে খুব একটা সহজ হবে না, তাও মানেন লিটন। বলেন, ‘যেকোনো ম্যাচই চ্যালেঞ্জিং। নেদারল্যান্ডস ভালো টিম। তারা ভালো উইকেটে ভালো ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত। যদিও এশিয়া কাপের আগে কিছু ক্রিকেটারকে দেখে নিতে চাইব। পাশাপাশি এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, জেতার জন্যই মাঠে যাব।’
তবে হেরে গেলেও যে অবাক হবেন না, তাও স্পষ্টই বলেছেন লিটন দাস। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এর আগেও অনেক দলের কাছে হেরেছে, নতুন কোনো কিছু না। যদি হেরেও যাই, হেরে যেতেই পারি। দু’টি দলই খেলতে এসেছে, একটা দল জিতবে, একটা দল হারবে। তবে আমরা কতটা ক্রিকেট ভালো খেলতে পারছি, এটা হচ্ছে মূল ব্যাপার।
নেদারল্যান্ডস সিরিজে আরো একটা বিষয়ে লক্ষ্য থাকবে সবার। সকলে তাকিয়ে থাকবে পাওয়ার হিটিং দেখার জন্য। সদ্য নিযুক্ত পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান রস উডের কাছে কতটা শিখলেন লিটনরা, তা দেখতে মুখিয়ে সবে।
তবে লিটন বলছেন সহসাই মিলবে না তার ফল। করতে হবে আরো অপেক্ষা। লিটন বলেন, ‘কেউ আসলে তো দুই-তিন দিনে পুরো বদলে দিতে পারবে না। আমরা কাজ করেছি। দেখা যাক, বাদ-বাকিটা এখন। এই সিরিজ দিয়েই দেখা যাবে যে দল এখান থেকে কতখানি উন্নতি করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা ক্রিকেট এখানে খেলি প্রায় সাত-আট বছর হয়ে গেছে, কারো কারো ১০ বছর হয়ে গেছে। একটা ধরন তো থাকে। যে যার ধরনে ক্রিকেট খেলে থাকে। এর মাঝেই চেষ্টা করছে আলাদা কিছু আনার জন্য। তবে এটা দেখা যাবে, আপনার একটু সময় দিতে হবে।’
লিটন যোগ করেন, ‘কোনো কিছু তো এক-দু’দিনে বদলে যায় না। যদি একটু সময় আমরা ওই ফোকাসে থাকতে পারি, হয়তো অদূর ভবিষ্যতে বদল দেখা যাবে।’