বিপিএল নিয়ে এবার বেশ সিরিয়াস ক্রিকেট বোর্ড। নতুনত্ব আসছে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে। আগেই জানা গিয়েছিল একটি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির খোঁজ করছে বিসিবি। দিয়েছিল বিজ্ঞপ্তি।

সেই আহবানে সাড়া দিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বিপিএলের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করেছে বিসিবি।

বিপিএল নিয়ে বিতর্ক একদম শুরু থেকেই। বার বার নতুন শুরুর ঘোষণা দিলেও পরিবর্তন আসেনি, বিতর্ক পিছু ছাড়েনি। তবে এবার জোরেশোরে বদলে যাওয়ার চেষ্টা করছে বিসিবি।

বিপিএল নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন, সতর্ক ও সাবধানী বিসিবি। খোদ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কায়মনোবাক্যে চাচ্ছেন বিপিএল নিয়ে পূর্বে ঘটা নানা বিতর্কের অবসান হোক।

গত ১০ জুলাই বিসিবির পক্ষ থেকে একটি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে মোট পাঁচ প্রতিষ্ঠান। যেখানে রয়েছে আইপিএলে কাজ করা কোম্পানিও।

বিজ্ঞপ্তিতে সাড়া দেয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাপেক্স স্পোর্টস কনসাল্টিং, আইএমজি, রিয়েল ইম্প্যাক্ট অ্যান্ড অ্যাবসলুট লিজেন্ডস স্পোর্টস, দ্য আইপিজে গ্রুপ, মাইন্ড ট্রি লিমিটেড ও ট্রান্সপোর্ট গ্রুপ।

আইপিএলে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান আইএমজির। আইপিএলের শুরু থেকেই কাজ করছে তারা, দায়িত্বে ছিল ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৩ আসরের দায়িত্বে ছিল আইএমজি।

তাছাড়া বিভিন্ন দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট লিগের কাঠামো, ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা ও সম্প্রচার রোডম্যাপ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তারা। বিপিএলের দায়িত্ব পেতেও এগিয়ে আছে গ্রুপটি।

অন্যদিকে আইপিজি গ্রুপও একেবারে পিছিয়ে নেই। এক্ষেত্রে তারাও বেশ অভিজ্ঞ। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রথম আসরে সম্প্রচার ও বিপণনে বড় ভূমিকা পালন করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ ‘আইএল টি-টোয়েন্টিতে’ প্রধান কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে তারা। অন্যদিকে এশিয়ান ক্রীড়া বাজারে নিজেদের বেশ পরিচিতি গড়ে তুলেছে এপেক্স স্পোর্টস কনসাল্টিং।

ভারতের রিয়েল ইম্প্যাক্ট অ্যান্ড অ্যাবসলুট লিজেন্ডস স্পোর্টসের টিভি প্রোডাকশনে বিসিবির সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর এর বাইরে আছে বাংলাদেশের ট্রান্সপোর্ট গ্রুপ।

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর থেকে সংক্ষিপ্ত তালিকা করবে বিসিবি। তাদের কাছে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন ও অর্থনৈতিক প্রস্তাব চাওয়া হবে। ৩০ ও ৩১ জুলাই আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রেজেন্টেশন দেয়ার কথা।

এরপর টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে দেবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এরপর ডিসেম্বর–জানুয়ারিতে তাদের আয়োজনেই সাজবে বিপিএলের ১২তম আসর।