জয়ে ফিরতে মরিয়া ইংল্যান্ড

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে ইংল্যান্ড। গ্রুপ পর্বটা এখন কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে টি-২০ পোস্টার বয়দের জন্য। সুপার এইটে যেতে হলে গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই তাদের সামনে।

তাই কলকাতার ইডেন গার্ডেনে আজকরে ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য ডু অর ডাই ম্যাচে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া তুলনামূলক স্কটল্যান্ড তাদের প্রতিপক্ষ। যদিও টি-২০ বিশ্বকাপে এখনো স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের কোনো রেকর্ড নেই থি লায়ন্সদের। একমাত্র দেখায় কেউই জেতেনি। ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়েছিল বৃষ্টির কারণে।

টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এই ম্যাচের দিকে সমগ্র ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে আছে। দুই ম্যাচে দুই জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শীর্ষে থাকলেও স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও ইতালির পয়েন্ট দুই করে । তবে নিট পয়েন্ট ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্কটল্যান্ড। জস বাটলারদের অবস্থান চারে।

ইংল্যান্ড শুরু থেকেই ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগে ওঠা-নামা করেছে। হ্যারি ব্রুক, জেমি ওভারটন ও স্যাম কারান কোচদের আশা অনুযায়ী বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না এবং ডেথ ওভারের বোলিংও চাপ সামলাতে সক্ষম হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড অধিনায়ক দলকে দৃঢ়ভাবে সাজাচ্ছেন এবং ব্যাটিং ইউনিটে সঠিক জায়গায় আনার ওপর জোর দিচ্ছেন।

অন্য দিকে স্কটল্যান্ডের জর্জ মুন্সি ও রিচি বেরিংটন তাদের ব্যাটিংয়ের প্রধান ভরসা। স্পিন ও মিডল ওভারের বোলিং বিভাগে তারা ধারাবাহিকতা খুঁজে পেয়েছে, ফলে এ লড়াইয়ে তারা শক্তিশালী ফাইট দিতে পারে।

ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক বলেন, ‘স্কটল্যান্ড খুবই সংগঠিত দল এবং তারা এই ধরনের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রমাণ করেছে। আমাদের জন্য মূল বিষয় হলো শুরু থেকেই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারা। আগের ম্যাচে আমরা ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো আগ্রাসন দেখাতে পারিনি, সেটি শুধরে নিতে হবে।’

অন্যদিকে স্কটল্যান্ড অধিনায়ক রিচি বেরিংটন বলেন, ‘ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে খেলাটা সবসময়ই বিশেষ। তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল, কিন্তু আমরা ভয় পাচ্ছি না। আমরা জানি, আমাদের সেরা ক্রিকেট খেললে যে কোনো দলকে হারানো সম্ভব।’

ইডেন গার্ডেন্সে পিচ সাধারণত ব্যাটিং-সহায়ক হলেও স্পিন বোলারদেরও সুযোগ আছে। এ ছাড়া কলকাতার রাতের বেলা খেলা হওয়ায় ব্যাটিং আরো সহজ হতে পারে।

ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও এই ম্যাচে জয় অর্জন করা দুই দলের জন্যই সুপার এইটের রাস্তা সহজ করতে পারে। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য এটি আত্মবিশ্বাস ফেরানোর সুযোগ আর স্কটল্যান্ডের জন্য আরেকটি বড় অঘটনের মঞ্চ।