পেরুর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কেইকো ফুজিমোরি মঙ্গলবার রান-অফ বা দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ভোট গণনায় প্রায় নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে রয়েছেন। সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়া কার্যালয় কর্তৃক অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, ৯৯.৮৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ফুজিমোরি ৫০.১২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, যা তার বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী রবার্তো সানচেজের চেয়ে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট বেশি।

বিজয়ী ঘোষণা করার আগে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের ১৩১টি ট্যালি শিট যাচাই করতে হবে, যা প্রায় ৩৯ হাজার ভোটের সমান। তবে এই ভোটসংখ্যা সানচেজের পক্ষে ব্যবধান কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট নয়।

রবার্তো সানচেজ বলেছেন, তিনি ফুজিমোরির নেতৃত্বাধীন কোনো সরকারকে স্বীকৃতি দেবেন না। তিনি অভিযোগ করেছেন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ‘গুরুতর অনিয়ম’ হয়েছে।

সানচেজ অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ প্রায় ৩ লাখ প্রবাসী ভোট ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক অনিয়ম করেছে।

এই প্রবাসী ভোটে তুলনামূলকভাবে ফুজিমোরির সমর্থন বেশি দেখা গেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে থাকা ভোটারদের মধ্যে।

নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী আগামী ২৮ জুলাই পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

৭ জুনের এই রান-অফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পরলোকগত সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির মেয়ে কেইকো ফুজিমোরি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিয়োর রাজনৈতিক উত্তরসূরি রবার্তো সানচেজ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন বহু বছর ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটাবে বলে আশা করা হলেও ফলাফল দেখাচ্ছে দেশটি এখনো গভীরভাবে বিভক্ত। বিশেষ করে, উপকূলীয় অঞ্চল ও গ্রামীণ-আদিবাসী দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে।

সূত্র : বাসস