বলিভিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রোববার (১৯অক্টোবর) দুই ডানপন্থী প্রার্থীর মধ্যে থেকে একজনকে নির্বাচিত করবে ভোটাররা। যার ফলে দুই দশক ধরে চলা সমাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটবে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে। সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে দেশটি প্রবল অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।
লা পাজ থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ডলার ও জ্বালানির ঘাটতি এবং বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ২০ শতাংশেরও বেশি থাকায়, ভোটাররা আগস্টে প্রথম নির্বাচনী রাউন্ডে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের প্রতিষ্ঠিত মুভমেন্ট টুওয়ার্ড সোশ্যালিজম (এমএএস) দলকে প্রত্যাখ্যান করে।
রোববার দ্বিতীয় ধাপে ভোটাররা দুই কঠোর এমএএস বিরোধীর মধ্যে অর্থনীতিবিদ ও সিনেটর রদ্রিগো পাজ (৫৮), অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ কুইরোগার (৬৫) মধ্যে একজনকে নির্বাচন করবেন।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে মোরালেসের গ্যাস রিজার্ভ জাতীয়করণের মাধ্যমে প্রাথমিক সমৃদ্ধির মাধ্যমে চিহ্নিত একটি অর্থনৈতিক পরীক্ষা শেষ হবে।
এই উত্থানের পরেই বিদায়ী নেতা লুইস আর্সের অধীনে জ্বালানি ও বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র ঘাটতি দেখা দেয়। একসময়ের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত দেশটির হাইড্রোকার্বন খাতে পরবর্তী সরকারগুলো বিনিয়োগ কমিয়ে দেয়।
পরে উৎপাদন কমে যায় এবং বলিভিয়া জ্বালানির জন্য সর্বজনীন ভর্তুকি বজায় রাখতে তার ডলারের রিজার্ভ কমিয়ে আনে, যা আমদানি করার সামর্থ্য তাদের নেই।
এক কোটি ১৩ লাখ জনসংখ্যার দেশটি চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোয় দীর্ঘ লাইন দেশটির একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে উঠেছে।
সূত্র : বাসস