আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত ও দলটি নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় গণহত্যাকারী হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ১০টা থেকে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এ কর্মসূচি ঘিরে যমুনার সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।

এদিন রাত ১০টায় যমুনার সামনে উপস্থিত হন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে মিছিল নিয়ে সেখানে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।

পরে কর্মসূচি শুরু হলে সেখানে যোগ দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলটির শীর্ষ নেতারা।

রাত পৌনে ১টার দিকে তারা মিছিল নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা।

নাহিদ ইসলাম ছাড়াও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, ছাত্রশিবিরের দফতর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ উপস্থিত হয়েছেন।

রাতেই আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ফয়সালা

অপরদিকে, আজ রাতেই আওয়ামী লীগের বিষয়ে ফয়সালা হবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

নাহিদ লিখেছেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি ফ্যাসিস্ট ও খুনি আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে টালবাহানা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও নিষিদ্ধের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে না। আসামিদের জামিন দিয়ে দেয়া হচ্ছে। অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের রাষ্ট্রপতিকে চোখের সামনে পালিয়ে যেতে দেয়া হয়েছে। বিচার প্রশ্নে সরকারের প্রতি আমাদের অনাস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল খুনিদের বিচার এবং মুজিববাদীরা বাংলার মাটিতে আর কখনো রাজনীতি করতে পারবে না। আজ রাতেই ফয়সালা হবে আওয়ামী লীগের বিষয়ে।’