মাথাল প্রতীকে নিবন্ধনের দাবিতে মৌলিক বাংলার মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর নির্বাচন ভবনের সামনে তারা এ মানববন্ধন করে।

বিশেষ সংবাদদাতা
Moulik-Bangla
নির্বাচন ভবনের সামনে মৌলিক বাংলার মানববন্ধন | নয়া দিগন্ত

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আবেদন করেও নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়নি দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রাণ প্রকৃতি নিয়ে কাজ করা রাজনৈতিক দল- মৌলিক বাংলা। এমনকি দলটির পছন্দের ‘মাথাল’ প্রতীকটিও সেবার অন্য দলকে বরাদ্দ দিয়েছে ইসি। চাহিদা অনুযায়ী নিয়ম- নীতি মেনে আবেদন করেও নিবন্ধন নিয়ে এবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মৌলিক বাংলা।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর নির্বাচন ভবনের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দলটির নেতাকর্মীরা ইসির বিরুদ্ধে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মওলানা ফজলে রাব্বি, নোয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি মো. ইব্রাহীম হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য জাহিদ হাসান, শাহিন আলম, হাবিবুর রহমান হিরাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মৌলিক বাংলার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফরিদ আহমেদ বলেন, জনতার রাজনৈতিক দল মৌলিক বাংলা। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রাণ-প্রকৃতি নিয়ে কাজ করে আসছে। তাই দিল্লীর নিয়ন্ত্রণে হাসিনা সরকার মৌলিক বাংলাকে বারবার ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমরা কৌশল বদলে নতুন সরকার এনেছি। বহিশক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকে এখনও কলোনিয়ান সচিব বা এলিট শ্রেণীকে বাংলাদেশপন্থী করতে পারি নাই, এমনকি ইসিও তাই। সেক্ষেত্রে জনতাকে সাথে নিয়ে মৌলিক বাংলা সব সময় প্রস্তুত থাকবে বাংলাদেশ এবং জনতার পক্ষে।

দলটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছাদেক আহম্মেদ সজীব বলেন, নির্বাচন কমিশন ভবন এখনো আওয়ামী লীগ মুক্ত হয় নাই। নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় তাদের যে উদাসীনতা, স্বজনপ্রীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা তা স্পষ্টই মৌলিক বাংলাকে ২০১৭ সালের ন্যায় এবারো নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে ষড়যন্ত্র করে ডিপস্টেটের পরামর্শে বঞ্চিত করা হবে।

তারা বলেন, ২০১৭ সালে মৌলিক বাংলা নিবার্চন কমিশনে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ জমা দিলেও কমিশন থেকে কারণহীনভাবে নিবন্ধন পায়নি। এদিকে জুলাই বিপ্লবের পর পরই মৌলিক বাংলা'র প্রতীক ‘“মাথাল” অন্যদলকে দিয়ে দেয় ইসি। জুলাই বিপ্লবের পর গত ২০শে এপ্রিল ২০২৫ইং মৌলিক বাংলা রাজনৈতিক নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছে। তাই দলটি এবার ন্যয় বিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইসির কাছে।