বাংলাদেশে ভারতীয় পুশইন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন খেলাফত মজলিস।

বুধবার (৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ব্যক্তি ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়কে অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, ইসলাম বিদ্বেষী নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল করা না হলে বিতর্ক ও উদ্বেগ বাড়বে, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর।

ভূমিকা হিসেবে বক্তারা বলেন, ইসলাম বিদ্বেষী কমিশন কর্তৃক প্রণীত প্রস্তাবনা দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে আঘাত করছে এবং এই কমিশন বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, নারী ও পুরুষের সম্পর্কের প্রকৃত ভিত্তি পরিষ্কার করার জন্য গবেষক ও স্কলারদের সাথে আলোচনা এবং বিতর্ক আরো বাড়াতে হবে।

সভার কার্যক্রমে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ভারত সরকারের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ধর্মীয় অনুভূতিতে মারাত্মক আঘাত করছে। তারা কাশ্মিরে নিরাপত্তাবিধানে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়। সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়ন ও স্থানীয় নাগরিকদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈঠকে আমিরে মজলিস মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, মাওলানা সৈয়দ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়খুল ইসলাম, সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, নুর হোসেন, আমির আলী হাওলাদার, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি