ইসলামী শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত গাউছিয়া ফাজিল মাদরাসা মিলনায়তনে কাউন্সিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ৩ বছর মেয়াদের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। কমিটিতে সভাপতি পদে মাওলানা ড. একেএম মাহবুবুর রহমান ও মহাসচিব পদে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবু হানিফ খান নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটির অন্যরা হলেন, সহসভাপতি অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল হামিদ, ড. মাওলানা নজরুল ইসলাম আল-মারূফ, অধ্যক্ষ মাওলানা মজির উদ্দিন, প্রফেসর ড. মো: শহিদুল হক, অধ্যক্ষ মাওলানা ইজাহারুল হক।

যুগ্ম মহাসচিব উপাধ্যক্ষ আ না ম মাহবুবুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম সরকার, মুহাদ্দিস ড. মাওলানা মোরশেদ আলম সালেহী, মুফতি মাওলানা উসমান গনি সালেহী, মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল্লাহ।

সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া, অর্থসচিব নূর মোহাম্মদ, প্রচার সচিব কবি আবু জাফর সালেহী, দফতর সচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা রবিউল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা কবি মুহিব্বুল্লাহ জামী, কারিকুলাম সচিব শায়খ আবদুল লতিফ, প্রকাশনা সচিব মাওলানা আখতার ফারুক, জনসংযোগ সচিব মো: এনায়েত হোসেন, গবেষণা সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শবীফ মো: আবু হানিফ, আইন বিষয়ক সচিব আ জ ম সাখাওয়াত হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব ড. নজরুল ইসলাম, শিক্ষক কল্যাণ সচিব মুহাম্মদ ছালাহ উদ্দিন, অনুষ্ঠান বিষয়ক সচিব ড. ইবরাহীম খলিল আনোয়ারী, সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব আবুল কালাম নেছারী। কার্যনির্বাহী সদস্য নুরল ইসলাম আমজাদী, ড. মুস্তাফিজুর রহমান, হাবিবুল্লাহ, মুহাম্মদ মাসউদুর রহমান, মো: তানিম শরীফ।

কাউন্সিলে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক ড. শাহ মো: আব্দুর রাহীম, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল হামিদ ও ড. মাওলানা নজরুল ইসলাম আল মারুফ।

অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি ডক্টর মাওলানা এ কে এম মাহবুবুর রহমান। কাউন্সিলে সরকারের প্রতি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

১। প্রত্যেক প্রাইমারি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

২। শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মঞ্জুরিপ্রাপ্ত সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্ত করতে হবে।

৪। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ইসলাম শিক্ষা বিষয়কে আবশ্যিক করতে হবে।

৫। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ আওতাভুক্ত করতে হবে।

৬। বেসরকারি শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া চিকিৎসা ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।

৭। অবসরের ছয় মাসের মধ্যে অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৮। তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসার উন্নয়নের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৯। শিক্ষা খাতে বিদ্যমান সকল বৈষম্য নিরসন করতে হবে।

১০। মধ্যপ্রাচ্যের চাকরির সুবিধা লাভের জন্য শিক্ষার সর্বস্তরে আরবি ভাষা কোর্স চালু করতে হবে।