বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারন সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেছেন, ‘৩৬ জুলাই তথা আগষ্ট বিপ্লবের পর দেশের শ্রমিক কর্মচারী ও মেহনতী মানুষ আশা করছিল দেশের বৃহৎ সেক্টর পরিবহন সেক্টরে টার্মিনাল, বাসস্ট্যান্ড, বিআরটিএ তে চাঁদাবাজি অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য পরিবহন সেক্টর, হকারসহ শ্রম-শিল্প সেক্টরে নতুনভাবে নতুন চেহারায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব শুরু হয়েছে।’ তিনি অবিলম্বে পরিবহন, হকারসহ শ্রম-সেক্টরে চাঁদাবাজি, দখলদারী বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।
মঙ্গলবার (১৩ মে) বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে সেক্টর দায়িত্বশীলদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মহানগরী সহ-সভাপতি মকবুল আহমদ ভূইয়ার সঞ্চালনায় নগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগরী সহ-সভাপতি নজির হোসেন, সহ-সাধারন সম্পাদক ইঞ্জি. শিহাব উল্লাহ, এম আসাদ উল্লাহ আদিল প্রমুখ।
সভায় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, দফতর সম্পাদক, স.ম.শামীম, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জি. সাইফুল ইসলাম, রেল সেক্টরের সভাপতি মনিরুল ইসলাম মজুমদার, সড়ক পরিবহন সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, হোটেল সেক্টর সভাপতি সাব্বির আহমদ উসমানী, হাসপাতাল সেক্টর সভাপতি বাবুল হাসান, বিপিসি তেল সেক্টরের সভাপতি আবু নাঈম সুজন, বিদ্যুৎ সেক্টরের সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস পাটোয়ারী, নির্মাণ সেক্টরের সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম, হালকা মোটরযান সেক্টরের সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও কৃষি সেক্টরের সভাপতি মুহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ সেক্টর সমূহের সাধারণ সম্পাদকরা।