বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।

এছাড়াও কাফরুল থানার আতিক হত্যা মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব জিয়াউল আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার তাদের কারাগার থেকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এ সময় মমলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাদের এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।

এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাদের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। গ্রেফতার দেখানোর পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মোহাম্মদপুর থানার হত্যা চেষ্টা মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানাধীন তিন রাস্তার মোড় সংলগ্ন ময়ূর ভিলার সামনে ছাত্র জনতার সাথে বাদি মো: সোহেল রানা (৩৮) আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেন।

এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের ওপর মারাত্মক হামলা চালানো হলে ভুক্তভোগী বাদি সোহেলের উরুতে গুলি লেগে পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে যায়।

পরে তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে গত ১১ জুন মামলা দায়ের করেন বাদি সোহেল রানা।

কাফরুল থানার মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই বিকেলে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন বিআরটিএ অফিসের পেছনের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন আতিকুল ইসলাম।

পরে হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রাজধানীর কাফরুল থানায় একটা হত্যা মামলা করেন।